ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত মূল অভিযুক্ত সলিমকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই সংঘর্ষে চন্দন নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে জড়িয়ে ছিল সলিমের নাম। বুধবার সকালেই সলিমকে পাকড়াও করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সলিমের বন্দুক থেকে ছোঁড়া গুলিতেই মৃত্যু হয়েছিল চন্দনের। তবে শুধু সলিম নয়। চন্দনকে মারার ঘটনায় জড়িত রয়েছে তার দুই ভাই তসিম ও ওয়াসিম, এরা পলাতক।

সলিমকে গ্রেফতার করার পর তাঁর কাছে থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করে পুলিশ। অন্যদিকে কাসগঞ্জে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ঘটনার বিস্তৃত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই অশান্তি বন্ধ করতে উত্তরপ্রদেশ সরকার কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে সেই তথ্যও জানতে চেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পরিস্থিতির যাতে আর অবনতি না হয় সেই কারণে ইতিমধ্যেই ১২২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে গতকাল বৈঠকেও বসে শান্তি কমিটি। তাতে যোগ দেন শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। ঠিক হয়, সব দোকানদার নিজের নিজের দোকান খুলবেন। সেইমত সন্ধেয় দোকান খোলেও। পুলিশ দাবি করছে, এলাকায় আপাতত শান্তি পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

উল্লেখ্য, শান্তি ফিরিয়ে আনতে কাসগঞ্জের সীমান্ত সিল করে এলাকায় জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। একই সঙ্গে অভিযোগের আঙুল উঠেছে হিন্দু সংগঠনের দিকেও, তারা সংখ্যালঘু এলাকায় বাইক মিছিল করার জন্যই এই সংঘর্ষ ছড়ায়। প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এবং হিন্দু পরিষদের তেরেঙ্গা যাত্রা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় বলে অভিযোগ। এই দুই সংগঠনের উপর এমনও অভিযোগ ওঠে যে তারা নাকি মিছিল থেকে আপত্তিজনক স্লোগান দেয়। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ানোর পর চন্দন নামের এক ১৬ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। গতকাল সেই কিশোরের অন্তিম সংস্কারের পর ফের হিংসা ছড়ায়।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here