login banner
login banner

ডেস্ক: নোয়াপাড়া বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী চয়ন নিয়ে বিভ্রাট হওয়ার পর রীতিমতো হাসির পাত্রে পরিণত হয়েছে রাজ্যের গেরুয়া শিবির। একই সঙ্গে মুখে চুনকালি মেখেছেন তৃণমূল ভাঙতে চাওয়া মুকুল রায়। রাজ্যে কয়েক মাসের মধ্যেই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেখানে ৪৮ হাজারের বেশি বুথে প্রার্থী দেওয়ার জন্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে অভিনব উপায় বাতলে দিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাও আবার দিলীপের খাসতালুক পশ্চিম মেদিনীপুরের বুকে দাঁড়িয়েই।

বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে প্রার্থী যোগার করার জন্য এবার সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার পরামর্শ দিলেন অভিষেক। পশ্চিম মেদিনীপুরের গোপীবল্লভপুরে এক সভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, কোনও ‘চাটনিবাবু’-র উপর ভরসা রাখলে নোয়াপাড়ায় প্রার্থী চয়নের মতোই ভরাডুবি হবে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে। তাই বরং তৃণমূলের ফেলে দেওয়া ‘জঞ্জাল’ না ঘেঁটে তারা যেন সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে নিজেদের প্রার্থী যোগার করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের ৪৮ হাজার বুথে তৃণমূলের জয় কেবল সময়ের অপেক্ষা। বিজেপি সেখানে কোনও ফ্যাক্টরই হবে না। কারণ অভিষেক বলেন, রাজ্যের ৪৮ হাজার বুথে বিজেপি দেওয়ার জন্য নিজেদের প্রার্থীই খুঁজে পাবেনা।

এছাড়াও মঞ্চে দাঁড়িয়ে এদিন মুকুলকে বহিরাগত বলেও কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কাঁচরাপাড়ায় ভোটার তালিকায় নাম না থাকার জন্য দিল্লি গিয়ে সেখানের ভোটার তালিকায় নিজের নাম তুলেছেন মুকুল রায়। এই নিয়ে অভিষেক বলেন, মুকুল এখন সম্পূর্ণ বহিরাগত হয়ে গিয়েছেন।

আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন মূলত অ্যাসিড টেস্ট হতে চলেছে রাজ্য বিজেপি সহ মুকুল-দিলীপদের জন্য। সেই নির্বাচনের ফলাফলের উপরই রাজ্যের আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ভর করবে। কিন্তু নোয়াপাড়া বিধানসভা উপনির্বাচনে মঞ্জু বসুকে প্রার্থী করা নিয়ে এহেন নাটকের পর অনেকের মনেই প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি মারা শুরু করেছিলো যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাহলে কী করবে বিজেপি। সেই প্রশ্নটাই আবারও উস্কে দিলেন অভিষেক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here