ডেস্ক: আধার সুরক্ষিত নয়, আধার কার্ডকে হাতিয়ার করে সাধারণ মানুষের তথ্য ফাঁস হচ্ছে এই অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার। তবে বিরোধীদের সেই বক্তব্যকে খুব বিশেষ আমল দেয়নি কেন্দ্র। এরই মাঝে ফের অভিযোগ উঠল আধার তথ্য ফাঁস হওয়ার। এক আধজন নয় চলতি সপ্তাহে ফাঁস হয়েছে প্রায় ১.৩ লক্ষ নাগরিকের । আর সেটা হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের রাজ্য হাউজিং কর্পোরেশন থেকে। এমনটাই দাবি করলেন হায়দরাবাদের সাইবার নিরাপত্তা গবেষক শ্রীনিবাস কোদালি।

কোদালির দাবি, ১.৩ লক্ষ মানুষের আধার তথ্য ফাঁস হয়েছে ইতিমধ্যেই, একইসঙ্গে আরও ৫০ লক্ষ মানুষের তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁর কথায়, জাতি, ধর্ম ও বাসস্থানের নিরিখেই ফাঁস হচ্ছে এই তথ্য। সাংবাদিকদের কোদালিয়া বলেন, ‘কোনও একটি এলাকায় কোনও একটি বিশেষ ধর্ম ও জাতির নাম টাইপ করলে ওই জাতি বা সম্প্রদায়ের যাবতীয় তথ্য এবং জিও ট্যাগিংয়ের ফলে সমস্ত তথ্য প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, যদি বিশাখাপত্তনমে দলিত লিখে কেউ কিছু খুঁজতে চায় তবে মুহূর্তে ওই এলাকায় যতজন দলিত রয়েছে তাঁদের সবার তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে পিপলস হাব নামে এক আবাসন প্রকল্পের সূচনা করেন চন্দ্রবাবু নাইডু সরকার। আর তারজন্য রাজ্য সরকারের ২৯ টি দপ্তর থেকে নাগ্রিকদের আধার তথ্য যোগাড় করা হয়। যদিও তা নিয়ে বিতর্ক ওঠার ফলে পরে ওই ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয় সরকার। সেখান থেকেই ফাঁস হয়েছে রাজ্যের প্রায় ১.৩ লক্ষ মানুষের আধার তথ্য। কোদালির অভিযোগ, আধার তথ্য সুরক্ষিত বলে যে দাবি কেন্দ্র করছে তা সম্পূর্ণ ভুল। ইউআরডিআইয়ের দাবি ছিল, জাতি, ধর্ম জানার চেষ্টা আধার থেকে কেউ কখনও করতে পারবে না। কিন্তু অন্ধ্রসরকারের পাবলিক ডোমেনে সেই সমস্ত তথ্য জমা আছে। সরকার নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতেই সেই সমস্ত তথ্য ব্যবহার করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here