ডেস্ক: পুলওয়ামার বদলা নিতে নিয়ন্ত্রণরেখায় ঢুকে এয়ার স্ট্রাইক করে ভারতীয় বায়ুসেনা। পাকিস্তানের বালাকোটে থাকা জইশ জঙ্গি ঘাঁটি মিরাজ-২০০০ দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। এসবের মাঝেই গোয়েন্দাদের হাতে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে পাক সরকারের মদতে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রায় ১৬টি জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তানে মোট পাঁচটি যে ক্যাম্পগুলি সক্রিয় হয়েছে তা তাদের মধ্যে পঞ্জাব প্রদেশেই দুটি রয়েছে। বাকি তিন জঙ্গি ঘাঁটি খাইবার পাখতুয়ান এলাকায় সক্রিয় হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। এদিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যে ১১টি জঙ্গি ঘাঁটিগুলি সক্রিয় হয়েছে তাদের মধ্যে মোট পাঁচটিই জায়গা রয়েছে মুজফফরাবাদ, কোটলি ও বারনালা এলাকায়। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন যে, এই জায়গাগুলি নিয়ন্ত্রণ সীমার একদম কাছাকাছি এলাকায়। এছাড়া বই, লাকা-ই-গ্যার, শেরপাই, দেওলিন, খালিদ বিন ওয়ালিদ এবং দোপাট্টা প্রমুখ এই জায়গাগুলি জঙ্গিদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আস্তানা হয়ে উঠেছে।

এই জায়গাগুলিতে জঙ্গিদের কীভাবে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটাতে হয়, জলের নীচ দিয়ে হামলা চালাতে হয় সে ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৮ সালে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপের জন্য প্রায় ৫৬০ জন জঙ্গিকে নাকি লাগাতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। উল্লেখ্য, ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ। এই হামলার ফলে সেনাবাহিনীর ৪০ জিন জওয়ান শহীদ হন। এই ঘটনার পর থেকেই গোটা দেশ ফুঁসতে থাকে। এরপর এই ঘটনার ঠিক ১২ দিনের মাথায় পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে এয়ার স্ট্রাইক করে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতের এই হামলা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমান দিয়ে বালাকোটে থাকা জইশ জঙ্গি গোষ্ঠীর প্রধান ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয়। এখন এটাই দেখার যে এই সক্রিয় ঘাঁটিগুলির হদিশ পেয়ে কোন পদক্ষেপ নেবে ভারত সরকার।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here