ডেস্ক: ত্রিপুরা থেকে শুরু করে উত্তর-পূর্বে ধীরে ধীরে জমি ধরতে শুরু করেছিল টিম মোদী-শাহ। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই উত্তর-পূর্ব থেকে বড়সড় ধাক্কা খেল বিজেপি। মঙ্গলবার অরুণাচল প্রদেশ রাজ্যে একযোগে বিজেপি ছাড়েন ১৮ জন নেতা মন্ত্রী। বুধবার সেই সংখ্যাটা পৌঁছয় ২৫ তে। এবং সেই তালিকায় রয়েছেন অরুণাচল বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জারপুন গাম্বিন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুমার ওয়াই ও পর্যটনমন্ত্রী জারকান গ্যামলিন। এছাড়া রয়েছেন একঝাঁক বিজেপি বিধায়ক। তবে হঠাৎ করে দল ছাড়ার কারণ হিসাবে যা উঠে আসছে তা হল টিকিট না পাওয়া।

লোকসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পাশাপাশি ৪ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রকাশ করেছে কমিশন। উত্তর পূর্বে এবার ভোট হচ্ছে সিকিম ও অরুণাচলপ্রদেশে। এদিকে বিজেপি ছাড়ার পর ওই নেতারা যোগ দিয়েছেন মেঘালয়ের এনপিপি দলে। ফলে নির্বাচনের আগে আপাতত বেশ চাপে বিজেপি। এমনিতে উত্তরপূর্বে ঘাঁটি তেমন শক্ত নয় বিজেপির। পাশাপাশি একদা শরীক হলেও একলা হাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনপিপি, সঙ্গে ছেড়েছে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা (এসকেএম)। ফলে চাপ যে বিজেপির বাড়ল তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিকে দল ছাড়ার পরেই বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুমার ওয়াই। তাঁর দাবি নিজেদের স্বজনপোষণ করে চলেছে এই দল। সাংবাদিকদের সামনে তাঁর দাবি, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তোলে এই দল অথচ বাস্তবটা ঠিক উল্টো, এখানে পরিবারতন্ত্র চালাচ্ছে বিজেপি।

তবে বিজেপির অবশ্য দাবি, কে টিকিট পাবেন আর কে পাবেন না সেটা পুরোপুরি আভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা নাম পাঠাই কেন্দ্র কাকে পছন্দ করবে সেটা কেন্দ্র ঠিক করবে। অনেকেই এবার টিকিট পায়নি। সমস্ত পরিস্থিতি মাথায় রেকেহে টিকিট দেওয়া হয়েছে নেতাদের। উল্লেখ্য, রবিবারই নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। এদিকে দলত্যাগি একাধিক বিধায়ক হাতে আশায় খুশি এনপিপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here