mukul-roy

ডেস্ক: ভোট মরশুমে ফের ভাঙল তৃণমূল। রাজ্যে লোকসভার দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের দিনই মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের দুই আদি নেতা। বৃহস্পতিবার রাজ্য বিজেপির অফিসে আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূলের দুই নেতা স্বপন রায় ও শৈলেন মাহাতোর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন মুকুল। তৃণমূল ত্যাগী এই দুই নেতার মধ্যে শৈলেন মাহাতো ছিলেন মুকুল রায়ের পুরানো বন্ধু তৃণমূল গঠিত হওয়ার আগে একত্রে যুব কংগ্রেস করতেন মুকুল ও শৈলেন।

এদিন অনুষ্ঠান মঞ্চে দুই তৃণমূল নেতাকে নিজেদের দিকে টেনে নিয়ে মুকুল বলেন, পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের প্রাক্তন কর্মধ্যাক্ষ হলেন স্বপন রায়। দীর্ঘ দিন ধরে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। অথচ এনাকে ৫ বছরে ১টি পয়সা বেতন দেয়নি তৃণমূল দল। তাই রীতিমতো বঞ্চনার শিকার হয়ে আজ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন স্বপন রায়। পাশাপাশি শৈলেন মাহাতো প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, শৈলেন আমার দীর্ঘ দিনের সহকর্মী। একসঙ্গে আমরা বীরভূম জেলায় যুব কংগ্রেস করেছি। ২০০০ সাল পর্যন্ত ও যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন উনি। তৃণমূল তৈরি হওয়ার পর বোলপুর লোকসভার যুগ্ম আহ্বায়ক হন। আজ তৃণমূলের আদি এই নেতা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন।

পাশাপাশি, নির্বাচন প্রসঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুকুল বলেন, এই রাজ্যে মন্ত্রী সেন্ট্রাল ফোর্সকে বলে মারার জন্য। দুজন প্রচার করে গিয়েছেন এবার শুনছি ইমরান খানকে প্রচারে নিয়ে আসছে তৃণমূল(পাশ থেকে ফিসফিসিয়ে বাবুল সুপ্রিয় বলেন, মুনমুনের কেন্দ্রে, আমার ওখানে) আসানসোলে মুনমুনের প্রচারে। ভারতের গণতন্ত্রের মূল কাথামো নষ্ট করে দিচ্ছেন মমতা। দুর্গাপুর আসানসোলের পুলিশ কমিশনার যা করছেন তাতে ওনার উচিৎ তৃণমূলের পতাকা নিয়ে রাস্তায় ঘোরা। এরপরই তাঁর দাবি, আমি নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েকের সঙ্গে দেখা করে ওনাকে বলেছি, সমস্ত বুথে যেন আধা সেনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি পক্ষপাতদুষ্ট যে সমস্ত সরকারি আধিকারিকরা রয়েছেন তাঁদের যেন অবিলম্বে সরানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here