মহানগর ওয়েবডেস্ক: শুক্রবার পর্যন্ত ভারতের যে কজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের খবর পাওয়া গেছিল, তার প্রত্যেকটির সঙ্গে কোনও-না-কোনওভাবে বিদেশ যোগ ছিল। তবে শনিবার সন্ধ্যার পর যে তথ্য প্রকাশ্যে এল তাতে ভয় বেড়ে গেল আরও কয়েক গুণ। এই প্রথম ভারতে দু’জন ব্যক্তির শরীরে করোনার প্রকোপ দেখা দিল যাদের সঙ্গে কোনও ভাবেই বিদেশ যোগ নেই। ফলস্বরূপ এ কথা বলাই যায়, ভারতের মাটিতেও করোনা কমিউনিটি ট্রানসমিশনের ভয় বাড়িয়ে দিল। শনিবার নতুন করে ৩৪ জন আক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন আরও দু’জন, যারা কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের জেরে করোনা আক্রান্ত বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এই দু’জনের একজন কলকাতার, ও দ্বিতীয় জন পুনের।

জানা গিয়েছে, প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে সম্প্রতি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন দমদমের ৫৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। জ্বরের সঙ্গে শ্বাসকষ্ট দেখেই সন্দেহ হয় চিকিৎসকদের। এরপরই করোনা টেস্ট করা হয় দমদমের ওই ব্যক্তির। শনিবার রিপোর্ট আসতে দেখা যায়, তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। বর্তমানে ওই ব্যক্তির অবস্থা গুরুতর জানিয়েছে চিকিৎসক মহল। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের পুনের ৪০ বছর বয়সী এক মহিলার শরীরে ধরা পড়ে করোনা। এই মহিলাও বিদেশ সফর করেননি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। শনিবার এই দুই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ক্রমশ বাড়ছে কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের আশঙ্কা। পাশাপাশি শনিবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯০, এরমধ্যে ৬৩ জন নতুন করে আক্রান্ত বলে জানা গেছে। ফলে ভয় যে বাড়ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে রবিবার জনতা কার্ফু ঘোষণা করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে শনিবার দেশবাসীকে আরো একবার বার্তা দিয়ে তিনি জানান, যাই হয়ে যাক না কেন দয়া করে কেউ ট্রেনে বাসে চড়বেন না, যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন। জীবন নিয়ে খেলবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here