ডেস্ক: ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া মৃত পশুর মাংস পক্রিয়াকরণ করে সোজা চলে আসছে দামি রেস্তরাঁর খাবারের প্লেটে। সম্প্রতি বজবজ কাণ্ডের পর রেস্তরাঁর খাবার নিয়ে আতঙ্কিত রাজ্যবাসী। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নজরদারী শুরু করেছে পুরসভাও। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে এবার উদ্ধার করা হল ২০ টন ভাগাড়ের মাংস। এই মাংসই দামি কোম্পানির প্যাকেটে পুরে এবং এর সঙ্গে কিছু টাটকা মাংস মিশিয়ে পাঠানো হয় দামি রেস্তোরাঁয়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সানি মালিককে বিহারের নওদাঁ ত্যহেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও ৬ জনকে।

সূত্রের খবর এদিন সকালেই সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে রাজাবাজার হিন্দুস্থান কোল্ড স্টোরেজে হানা দেয় দক্ষিণ ২৪ পরগণার পুলিশ। তারপর সেখানকার কাণ্ডকারখানা দেখে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। দেখা যায়, একই ছাদের তলায় নামই কোম্পানির স্টিকার লাগানো ফল, সব্জি, দুধ থেকে আরও নানান কিছু। আর এই সবের মাঝেই রমরমিয়ে চলছে ভাগাড়ের পচা মাংসের ব্যবসা। যেখানে, কিছু ভালো মাংসের সঙ্গে ভাগাড়ের পচা মাংস মিশিয়ে একত্রে স্টোর করে রেখেছে ওই কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, এই কোল্ড স্টোরেজের থেকে মাত্র ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে নারকেলডাঙ্গা থানা। থানার নাকের ডগায় কিভাবে দিনের পর দিন এই ব্যবসা চলছে তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বজবজে ভাগাড়ের পচা মাংস রেস্তোরাঁয় বিক্রি করার একটি চক্রের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয় বজবজ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পুরকর্মী রাজা মল্লিক ও তার দুই শাগরেদকে। ঘটনার তদন্তে নেমে, ও তাদের জেরা করে ট্যাংড়া, কাঁকিনাড়া, জগদ্দল সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় হানা দেয় পুলিশ। এরপর এদিন সকালে রাজাবাজার থেকে উদ্ধার করা হল ২০ টন ভাগাড়ের পচা মাংস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here