kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, নন্দীগ্রাম: রাজ্যে পালাবদলের ক্ষেত্রে অন্যতম আতুঁড়ঘর ছিল নন্দীগ্রাম। অথচ সেই নন্দীগ্রামেই ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে শাসক দলের স্বজনপোষণ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কয়েকদিন ধরে চলেছে বিক্ষোভ। রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে পথ অবরোধ এমনকী অঞ্চল অফিসে বিক্ষোভ হয়েছে। তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য-সহ এলাকার তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে গিয়ে চড়াও হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। শাসকদলের নেতা-নেত্রীদের প্রতি ক্ষোভ জমছে এলাকাবাসীর। এই পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রামে দলের শুদ্ধিকরণের পথে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ভাবমূর্তি ফেরাতে একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এমনকী বুথ কমিটির সভাপতি,  অঞ্চল কমিটির সভাপতি সহ প্রায় ২০০ জন নেতা-নেত্রী-সহ পদাধিকারীকে শো-কজ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আমফানে ক্ষতিপূরণের তালিকা তৈরিতে যে গরমিল হয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন নন্দীগ্রামের শাসকদলের নেতারা। তবে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিপূরণের তালিকা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যরা প্রস্তুত করতে দু-এক জায়গায় ভুল হয়েছে বলে সাফাই দিয়েছেন শো-কজ পাওয়া নেতারা। তবে এই নিয়ে নেতারা দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব ও বিজেপি’র যোগসাজশের অভিযোগ আনছেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রামে রাজ্যের শাসকদলের তরফে দলীয় নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপ কি আদতে সাধারণ বাসিন্দাদের ক্ষোভ প্রশমন করবে? এরপর কি ঘূর্ণিঝড়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা পাবেন তাদের ক্ষতিপূরণ-   সেটাই এখন দেখার বিষয়।

এই বিষয়ে জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী বলেন, ‘দল ক্ষমতা দিলে কিছু জনকে দায়িত্ব থেকে মুক্তি দিতে চাই। যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, সেই সব ব্যক্তিদের খুঁজে আমরা ব্যবস্থা নেব। শো-কজ তার প্রথম পদক্ষেপ। দল কোনওরকম দুর্নীতি বরদাস্ত করবে না। বিরোধীরা মদ-মাতালদের নিয়েই যেখানে সেখানে অশান্তি করছে। প্রশাসনকে বলেছি কড়া হাতে ব্যবস্থা নিতে।‘

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here