ডেস্ক: বঙ্গীয় রাজনীতির ইতিহাসে ২১ জুলাইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। শনিবার তৃণমূলের সেই ২১ জুলাইয়ের ২৫ তম বর্ষ উদযাপিত হচ্ছে ধর্মতলায়। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ২১ জুলাই মানে অঙ্গীকার, নতুন দিশা, মানুষের আশা, ভবিষ্যতের স্বপ্ন। প্রতি বছরের মতো এই বছরেও পায়ে পায়ে পা মিলিয়ে ধর্মতলায় উপস্থিত হচ্ছে গোটা রাজ্য।

শুক্রবার রাত থেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে ভিড় জমেছে মিলন মেলা, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, উত্তীর্ণ ও ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে। জেলার সমস্ত নেতৃত্ব গত রাতেই হাজির হয়েছেন এই সমস্ত জায়গায়। থাকা, খাওয়া দাওয়া সবমিলিয়ে রীতিমতো যজ্ঞ চলছে মহানগরে। সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে মিছিলের পায়ে পা মিলিয়েছে হাওড়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমের সহ সমস্ত জেলার তৃণমূল কর্মীরা। প্রতি বছরই নতুন রেকর্ড গড়ে এই একুশে জুলাই এবার তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই আশা করছেন তৃণমূল নেতৃত্বরা। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে সকাল থেকেই চোখে পড়েছে ব্যাপক ভিড়। মিছিলের ভিড়ে স্তব্ধ শহর কলকাতা

গতকাল রাতেই ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতে দেখতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‌মানুষের কিছুটা অসুবিধে হতে পারে। শনিবার রাস্তায় যানবাহন কম থাকে। আমরা রাস্তা ছেড়ে সভা করছি। মানুষের অসুবিধের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অনেক বিশিষ্ট মানুষ শনিবারের মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন। কর্মীদের কাছে অনুরোধ, অ্যাম্বুল্যান্স, ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। আমরা চেষ্টা করব, সমস্যা যাতে না হয়। আমরা সকলের সহযোগিতা চাই।’

অন্যান্য বারের তুলনায় এবারের ২১ জুলাইয়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। সামনেই লোকসভা নির্বাচন তার আগে এই একুশের মঞ্চ থেকে রাজ্যে তৃণমূল যে কি বিশাল জায়গা নিয়ে আছে তা বুঝিয়ে দেবেন মমতা। সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যজুড়ে যেভাবে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত ঘটেছে তার যোগ্য জবাব এই ২১ জুলাই দেবে বলেই আশাবাদী তৃণমূল নেতৃত্বরা। ২০১৭–‌র ২১ জুলাইয়ের সভায় মমতা বলেছিলেন, বিজেপি আর পরের নির্বাচনে ফিরতে পারবে না। তাদের নিজেদের পকেট ফুটো হয়ে গেছে। এবারের মঞ্চ থেকে দলনেত্রি কি বলেন তার জন্য মুখিয়ে রয়েছে তৃণমূলের সমস্ত নেতাকর্মীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here