ডেস্ক: বয়স মাত্র বছর আড়াই। দোষ ছিল একটাই। মুখে এখনও কথা ফোটেনি তাঁর। সেই কারণেই অকথ্য নির্যাতনের শিকার হতে হল একরত্তি শিশুকে। অমানবিকতার নজিরবিহীন ঘটনা খাস কলকাতার বুকে।

আড়াই বছরের এই ছোট্ট শিশুকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে অবস্থিত এক বেসরকারি স্পিচ থেরাপিস্টের মহিলাকে। গ্রেফতার করেছে চারু মার্কেট থানার পুলিশ। অভিযোগ, মুখে বুলি ফোটানোর নাম করে শিশুটির উপর অত্যাচার চালান চৈতালি মুখোপাধ্যায় নামের এক মহিলা। আড়াই বছরের ওই শিশুটির উপর এই অত্যাচারের অভিযোগে ওই মহিলার বিরুদ্ধে চাইল্ড প্রটোকেশন অ্যাক্ট ও জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমকে ওই শিশুটির মা জানান, আড়াই বছর বয়স হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও কথা না ফোটায় ১৪মে শিশুটিকে এক বেসরকারি স্পিচ থেরাপির সংস্থান নিয়ে যান তারা। খেলার অছিলায় শিশুটির মা-কে বাইরে রেখেই তাকে ভিতরে নিয়ে যান অভিযুক্ত ওই মহিলা। কিন্তু কিছুক্ষণ পর আচমকা কান্নার আওয়াজ কানে আসে তাঁর। এরপরই দেখেন তুলো ও স্যাভলন নিয়ে ভিতরে যাচ্ছেন ওই সংস্থার আরেক কর্মী। এই দৃশ্য দেখার পর আরও সন্দেহ হওয়ায় ঘরে ঢুকেই দেখতে পান শিশুটির মাথা দিয়ে ঝরঝর করে রক্তপাত হচ্ছে। তখনই সন্তানকে নিয়ে সেখান থেকে তিনি বেরিয়ে আসেন। পরে চারু মার্কেট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নির্যাতনের ছবি স্পষ্ট হয় এবং ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here