ডেস্ক: সিবিএসই প্রশ্নফাঁস মামলায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। গতকাল ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের জেরা করে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধ ঘণ্টা আগেই খোলা হয়ে গিয়েছিল প্রশ্নপত্র। এবং এই বাড়তি আধ ঘণ্টা সময়ের সুযোগ নিয়েই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস করে দেয় অভিযুক্তরা।

অন্যদিকে, প্রশ্নফাঁস মামলায় আজও রাজধানী দিল্লি থেকে আরও তিন ব্যক্তিকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। ঝাড়খণ্ডের মতোই রাজধানী থেকে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরাও শিক্ষক এবং কোচিং সেন্টারের মালিক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তিদের নাম ঋষভ ও রোহিত। দুজনেই দিল্লির একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। জেরায় ধৃত শিক্ষকরা কবুল করেছেন যে সময়ের আধঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র খুলে কোচিং সেন্টারের মালিকই তাদের পাঠিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, কোচিং সেন্টারের মালিকই সেই সকল প্রশ্নের উত্তর লিখে ছাত্রদের মধ্যে বিলি করেছিলেন। প্রসঙ্গত, দিল্লিতে উত্তর সহ প্রশ্নপত্র পাওয়ার জন্য ছাত্র পিছু দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, সিবিএসই প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় ঝাড়খণ্ডের ছাতরা জেলা থেকে গতকাল এক কোচিং সঞ্চালক ও দুই শিক্ষক সহ ৯ ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত ছাত্ররা সকলেই নাবালক হওয়ায় তাদের জুভেনাইল হোমে রাখা হয়। বাকি শিক্ষক ও কোচিং সঞ্চালকদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। স্থানীয় পুলিশ এসপি অখিলেশ বি ওয়ারিওর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, শহরের কলেজ রোডে ‘স্টাডি ভিশন’ নামের কোচিং-এ সতীশ পাণ্ডে এবং পঙ্কজ সিং মোটা টাকার বিনিময়ে পড়ুয়াদের হোয়াটঅ্যাপে প্রশ্ন বিলি করেছিলেন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here