mamata_20160419_600_855

ডেস্ক: জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের বাড়াবাড়ি বাড়তে পারে, তাই সেনা তোলা যাবে না। রাজ্যের কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের সঙ্গে বৈঠকের পর নিজেদের বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছিল রাজ্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের আপত্তি জানিয়ে ছিলেন। তবে রাজ্যের সেই আপত্তি ধোপে টিকল না। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে প্রথম দফার ভোটের জন্য জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি সেনা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।

জঙ্গলমহলে এই মুহূর্তে রয়েছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে সেখান থেকে ৩০ কোম্পানি সেনাকে পাঠানো হবে উত্তরে প্রথম দফার ভোটের জন্য। একই সঙ্গে রাজ্যে আসা আধাসেনার থেকে পাঠানো হবে ১০ কোম্পানি সব মিলিয়ে কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে প্রথম দফার ভোটের জন্য থাকবে ৪০ কোম্পানি আধাসেনা। নির্বাচন কেন্দ্রে যাতে কোনও রকম অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি প্রত্যেকটি বুথে রাখা হবে স্বশস্ত্র পুলিশ বাহিনীকে। একইসঙ্গে জানা গিয়েছে, এই দুই জেলার মোট বুথের মধ্যে ৪০ শতাংশ বুথে রাখা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। বাকিটা চালানো হবে রাজ্য পুলিশ দিয়ে।

প্রসঙ্গত, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার দুই জেলায় মোট বুথের সংখ্যা যথাক্রমে ২০১০ ও ১৮৩৪। সেখানে এত সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার জন্য জঙ্গলমহল থেকে বাহিন তুলে নেওয়ায় যারপরনাই অসন্তুষ্ট। কারণ, এককালে যে জঙ্গলমহলে মাও-ফাও বলে কিচ্ছু নেই বলে দাবি করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাম্প্রতিক সময়ে সেই চিত্র পাল্টেছে। বহুবার ইতিউতি দেখা গিয়েছে মাও পোস্টার। গোয়েন্দাদের তরফেও জানানো হয়েছে, মাওবাদীরা নতুন করে তাঁদের সংগঠন বাড়ানোর চেষ্টা করছে জঙ্গলমহলে। এর মাঝে কমিশনের তরফে সেনা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে নাখুশ রাজ্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here