ডেস্ক: ১২ বছরের নীচে কোনও নাবালিকাকে ধর্ষণ করলে সেই দোষের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড, এমনই বিল পাশ করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও ধর্ষণের ঘটনা এমনকিছু কম ঘটেনি। নির্ভয়াকাণ্ডের নৃশংসতার পর দেশজুড়ে আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু ব্যতিক্রমী কিছু ঘটেনি। দিল্লির সেই নৃশংসতার ছায়া পড়েছিল কাঠুয়াতেও। এবার সেই ছায়ার শরিক হল মধ্যপ্রদেশ। মিষ্টির লোভ দেখিয়ে পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের মত লজ্জাজনক ঘটনা ঘটল মধ্যপ্রদেশে। ওই রাজ্যের দাতিয়া জেলায় এক মন্দিরের মধ্যে শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই মন্দিরেরই দুই পুরোহিত।

জানা যাচ্ছে, মন্দির সংলগ্ন এলাকাতেই বাড়ি ওই শিশুকন্যার। বাড়ির বাইরে থেকে তাকে মিষ্টির লোভ দেখিয়ে তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্ত দুই পুরোহিত। তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে রাখা হয় এক মন্দিরের মধ্যে। সেখানেই গণধর্ষণ করা হয় তাকে। এমনকি নিজেদের ‘কাজ’ মিটিয়ে নিয়ে শিশুকন্যাকে তার বাড়ি পর্যন্ত রেখে আসে তারা। সেইসঙ্গে কাউকে এই ব্যাপারে কিছু না বলতে ‘পরামর্শ’ দেয় অভিযুক্তরা, এমনকি কিছু বললে ফল আরও খারাপ হবে বলে হুমকি দেয় পুরোহিতরা। ভয়ে পেয়ে শিশুকন্যাটি নিজে কিছু বা বললেও তার মা কিছুটা আন্দাজ করেন। সেইমতো তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সত্যিটা সামনে আসে। তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই অভিযুক্ত পুরোহিত রাজু পন্ডিত ও বাতোলি প্রজাপতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে দুই পুরোহিতের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে ওই বিল মধ্যপ্রদেশেই প্রথম পাশ হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here