মহানগর ওয়েবডেস্ক: গোটা বিশ্বের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছে করোনা। পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ভালো নেই ভারতও। এহেন পরিস্থিতির মাঝে এবার জানা গেল করোনায় বেহালদশা প্রতিবেশী বাংলাদেশেরও।

শুরুতে ব্যাপক মৃত্যুর কারণে, ভারতের দেখাদেখি বাংলাদেশের একাধিক জেলায় লকডাউন জারি করেছে হাসিনা সরকার। তবে কোনোভাবেই রোখা যাচ্ছে না করোনার ভয়াবহতা। ইতিমধ্যেই সেখানে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫০০০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪০ জনের। এমন অবস্থাতেই স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর অভাবে বাংলাদেশি শুরু হয়েছে মোবাইল চিকিৎসা। খুব গুরুতর অবস্থা ছাড়া করোনা আক্রান্তকে হাসপাতালে ভর্তি নিচ্ছে না সেখানকার সরকার। বাড়িতেই বাকিদের থেকে রোগীকে আলাদা করে রাখতে বলা হয়েছে। চিকিৎসকরা টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে চিকিৎসা করছেন রুগির। বলা ভালো, মোবাইলে দিচ্ছেন পরামর্শ। কি করতে হবে কীভাবে সামাল দিতে হবে সবটাই মোবাইলের মাধ্যমে রোগীকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন ডাক্তারবাবুরা। তবে ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। করো না রোগীকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করালে বাকি আরো আক্রান্ত হতে পারেন সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও চিকিৎসকের অভাবে এছাড়া আর কোনো রাস্তা পাচ্ছে না প্রতিবেশী। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর প্রায় ৭৯ শতাংশ রোগীর চিকিৎসা করা হচ্ছে বাড়িতেই মোবাইলের মাধ্যমে। গুরুতর পরিস্থিতিতে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি নিচ্ছে সরকার। অন্যথায় ফিরিয়ে দেওয়ার নজিরও কম নেই। তবে এই অবস্থাতেই এখনো পর্যন্ত ১১২ জন বাংলাদেশের সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে দাবি করেছে সেখানকার সরকার।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতিতে ভালো নেই ভারতও। শেষ খবরে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৪৯৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮২৪ জনের। পরিস্থিতি সামাল দিতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে সরকার। নেওয়া হচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here