ডেস্ক: শিশুরাই আমাদের দেশের আগামী ভবিষ্যৎ। সেই নিষ্পাপ ফুলের মত শিশুরাও আজ ভুগছে নিরাপত্তারহীনতায়। পিশাচদের হাত নিস্কৃতি পাচ্ছে না তারাও। কখনও বা তাদের আপন আত্মীয়দের কাছেও নৃশংসতার শিকার হতে হচ্ছে তাদের। প্রত্যহ ঘটে চলেছে একই জিনিস। এরকমই চত্তিশগড়ের আরও একটি ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আজ শিশুরা কতটা অসহায়।

ছত্তিশগড়ের কোন্দাগাঁওতে ৪ বছরের এক নাতনিকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠল ষাট বছরের দাদুর বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রের খবর, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করে ওই অভিযুক্ত। এরপর দেহটিকে ঘাস জমির মধ্যে লুকিয়ে প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ও বাড়ির লোক মেয়েটির খোঁজ শুরু করলে মৃতদেহটিকে বাড়ির পাশের একটি জলাতে ফেলে দেয়।

শিশুটির মা বাবা পুলিশকে জানিয়েছেন, মাঠে খেলতে খেলতে আচমকা নিখোঁজ হয়ে যায় শিশুটি। তারা অনেক খোঁজাখুঁজির পর নিরুপায় হয়ে থানায় গিয়ে ডাইরি করে। এরপরই পুলিশ ঘটনাটির তদন্তে নামে। তারপরই উদ্ধার হয় শিশুটির মৃতদেহ। তবে ঠিক কে কী কারণে শিশুটিকে এরকম নৃশংসভাবে হত্যা করল তা বুঝতে পারছিলনা পুলিশ। এরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ কুকুর এনে থেকে তদন্ত চালায়। এতেই উদ্ধার হয় একটি রক্ত মাখা লুঙ্গি। সেই পোশকের গন্ধ শুঁকেই কুকুরটি ওই দাদুটিকে শনাক্ত করে। পুলিশ অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করে। এরপর ওই ব্যক্তি পুলিশি জেরার মুখে নিজের অপরাধ স্বীকারও করে নেয়। অপরাধীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here