ডেস্ক: একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় যখন উত্তাল গোটা দেশ, তখন মধপ্রদেশের মন্দসৌরে ঘটে গেল এক নারকীয় ঘটনা। সাত বছরের এক নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর খুনের চেষ্টায় অভিযোগ উঠল ইমরান ওরফে ভাইয়ুর বিরুদ্ধে।

জানা গেছে , গত মঙ্গলবার মেয়েটি স্কুল থেকে ফেরার সময় মিষ্টির লোভ দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় ইমরান। অপহরণের পর তাকে ধর্ষণ করে তাঁর গলা কেটে খুনের চেষ্টা করা হয় । ওই ছোট্ট মেয়েটির সারা শরীরে আঁচড়ের এবং কামড়ের দাগ পরে। এরপর তাকে অর্ধমৃত অবস্থায় ফেলে চম্পট দেয় ইমরান। মেয়েটি কোনও রকমে লক্ষ্মণ দরওয়াজা নামে একটি জায়গায় পৌঁছায়। সেখানকার বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। মেয়েটির অবস্থা খুবই আশঙ্কানজনক হওয়ায় চিকিত্সকরা তাকে ইন্দোর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মধপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান দোষীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা দাবি করেছেন। তিনি বলেন,’ ধর্ষকরা পৃথিবীর বোঝা, তাদের বাঁচার কোনও অধিকার নেই আমরা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে আছি, তাদের যতরকম সাহায্য লাগবে আমরা করব। আমি চিকিত্সকদের সঙ্গে কথা বলছি। চিকিৎসকরা বলছেন মেয়েটির শারীরিক অবস্থার উন্নতিও ঘটছে।’ এদিকে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ইমরানকে চিহ্নিত করেছে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করেছে। জেরায় ধৃত ইমরান ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here