ডেস্ক: ফের গণধর্ষণ কাণ্ডের অভিযোগ রাঁচিতে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার একদল মহিলা পথনাটিকা করে মানুষ পাচারের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছিলেন। হঠাৎ একদল বন্দুকধারী এসে তাদের মাথায় বন্দুক তাক করে তুলে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গিয়ে তাদের গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যদের। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে কোচাং-এ।

ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ১১ জন মহিলা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পথনাটিকা করতে করতে রাঁচির দিকে রওনা হচ্ছিলেন। মানুষ খুন, পাচার সহ আরও একাধিক জনসচেতনতা মূলক বার্তা তারা দিচ্ছেলেন ওই নাটকের মাধ্যমে। হঠাৎ নাটক চলাকালীন বাইকে চড়ে একদল বন্দুকধারী হানা দেয় সেখানে। এরপরই ওই দুষ্কৃতীরা মাথায় পিস্তল তাক করে তুলে নিয়ে যায় ৫ মহিলাকে। সেখানে তাঁদের গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘণ্টা তিনেক পরে ওই মহিলাদের গাড়িতে চাপিয়ে একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেয় দুষ্কৃতীরা। পুলিশকে দেওয়া ওই নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, ধর্ষণের সময় পুরো ঘটনার ভিডিও তুলে রাখে দুষ্কৃতীরা, হুমকি দেওয়া হয় পুলিশকে অভিযোগ জানালে ওই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে দেবে তারা।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ওই পাঁচ মহিলার অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য একটি বিশেষ মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে পুলিশ। পরীক্ষার পর তাদের শরীরে ধর্ষণের প্রমাণও মিলেছে। অভিযোগকারীর বয়ানের উপর ভিত্তি করে পুলিশ ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে ওই ৯ অভিযুক্তকে। তবে ওই বন্দুকধারীরা কেন তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে এমন অত্যাচার চালাল সেই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। ব্যক্তিগত কোনও আক্রোশ, না কি অন্য কোন কারণ? তা খতিয়ে দেখছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here