latest news
This photo taken on January 30, 2020 shows medical staff members wearing facemasks talking at a hospital in Wuhan in China's central Hubei province, during the virus outbreak in the city. - The World Health Organization declared a global emergency over the new coronavirus, as China reported January 31 the death toll had climbed to 213 with nearly 10,000 infections. (Photo by STR / AFP) / China OUT (Photo by STR/AFP via Getty Images)

মহানগর ওয়েবডেস্ক: মারণ ভাইরাস থেকে কোনওমতে প্রাণ রক্ষা হলেও, স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে না ফুসফুস। সম্প্রতি এমনটাই জানা গিয়েছে চিনের প্রকাশিত এক তথ্যে। গোটা বিশ্বের মধ্যে প্রথম করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছিল চিনের উহানে। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও করোনায় ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু রোগীর। চিকিৎসকদের তরফে দাবি করা হয়েছে যে সমস্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাদের মধ্যে ৯০% রোগীর ফুসফুস মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত। বাড়ি ফেরার পর অনেকেই অক্সিজেন মেশিনের ওপর নির্ভর করে কাটাতে হচ্ছে।

গত বছরের শেষদিকে চিনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল মারণ ভাইরাস। যদিও বর্তমানে সেখানে আক্রান্তের ১০০ শতাংশ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সেই সমস্ত মানুষের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রেখেছিল চিকিৎসক দল। সেখানেই এল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝোংনান হাসপাতালের ডিরেক্টর পেং ঝিয়ংয়ে নেতৃত্বে চিকিত্‍‌সকদের একটি দল গত এপ্রিল থেকে ১০০ জন সুস্থ হয়ে ওঠা করোনা রোগীকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। সেখানেই জানা গেছে সেরে ওঠা রোগীরা ছয় মিনিটে ৪০০ মিটারের বেশি হাঁটতে পারছেন না। অথচ আগে তারা ৬ মিনিটে ৫০০ মিটারের বেশি অতিক্রম করতে পারতেন। জানা গেছে এই সমস্ত রোগীর বয়স ৫৯ বছর। এর পাশাপাশি আরও একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রায় তিন মাস আগে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরলেও রোগীদের নির্ভর করে থাকতে হচ্ছে অক্সিজেন মেশিনের ওপর। যদিও এই সমস্ত রোগীর বয়স ৬৫ বছরের বেশি।

চিনা গবেষকেরা আরও দাবি করেছেন, ১০০ রোগীর মধ্যে ১০ শতাংশের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, সেরে ওঠার পর করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে। এর পাশাপাশি, ১০০ রোগীর ইমিউন সিস্টেম পুরোপুরি সেরে উঠেনি। উপরন্তু রোগীরা হতাশা এবং কলঙ্কের বোধে ভুগছেন। যার অর্থ এটাই ছেড়ে গেলেও একেবারে চলে যাচ্ছে না করোনা, শরীরে কিছু একটা ছাপ ফেলে যাচ্ছে সে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here