bengali news

Highlights

  • একসঙ্গে স্বেচ্ছা অবসর নিল ৯৩,০০০ কর্মী
  • যারা এই অবসর নিয়েছে তাদের গড় বয়স ৫৫-৬০ বছর
  • এত সংখ্যায় স্বেচ্ছা অবসরের পরেও কোনও মামলা দায়ের হয়নি

মহানগর ওয়েবডেস্ক: অবস্থা খারাপ সে তো বহু আগেই থেকে প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে যে, সরকার ইচ্ছাকৃত এই কাজ করছে। কথা হচ্ছে বিএসএনএল-এর। এর পাশে এমটিএনএল-এর অবস্থাও এক। নড়বড়ে অবস্থার মধ্যেই ফের বড় ধাক্কা। একসঙ্গে স্বেচ্ছা অবসর নিল ৯৩,০০০ কর্মী! দেশের ইতিহাসে যা একটি রেকর্ড।

তথ্য বলছে, ২০১৯ সালে অক্টোবরে যখন কেন্দ্রীয় সরকার এই ভিআরএস বা স্বেচ্ছা অবসরের প্রকল্প এনেছিল তখন বিএসএনএল-এ কাজ করত ১,৫৩,০০০ জন। এখন ৭৮,৫৬৯ জন এই স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে নিয়েছে। এমটিএনএল-এ ১৮,০০০ কর্মীর মধ্যে ১৪,৪০০ জন স্বেচ্ছা অবসর নিয়েছে। যারা এই অবসর নিয়েছে তাদের গড় বয়স ৫৫-৬০ বছর। সবচেয়ে বড় বিস্ময় হল, এত সংখ্যায় স্বেচ্ছা অবসরের পরেও কোনও মামলা দায়ের হয়নি।

দীর্ঘদিন ধরেই লোকসানে চলছে এমটিএনএল। প্রায় একই অবস্থা বিএসএনএল-এরও। সম্প্রতি বিএসএনএল-এ কর্মীদের বেতন নিয়েও সঙ্কট দেখা দেয়। এমনকি, সংস্থা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা ও গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল নানা মহলে। এই প্রেক্ষিতেই ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (বিএসএনএল) এবং মহানগর টেলিফোন নিগম লিমিটেড (এমটিএনএল) সংযুক্তিকরণে উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। পুনরুজ্জীবন পদ্ধতির অংশ হিসেবে সম্পত্তি থেকে আয়, স্বেচ্ছাবসর প্রকল্প বা ভিআরএস, ফোর জি স্পেকট্রাম দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ভিআরএস সম্পর্কে বলতে গিয়ে রবিশঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছিলেন, ৫৩ বছর বা বেশি বয়সের কোনও কর্মী যদি স্বেচ্ছাবসর নেন, তবে তাঁকে বেতন, পেনশন এবং গ্র্যাচুয়িটির ১২৫% ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে।

তারপরেও সমস্যা যে মিটেছে তা বলা কখনই যায় না। উল্টে, বিএসএনএল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই গুজবও ছড়িয়েছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছিল যে, নতুন করে সিম বিক্রি শুরু হয়েছে তাদের। সংস্থার চিফ জেনারেল ম্যানেজার জানিয়েছিলেন, ওয়েস্ট বেঙ্গল টেলিকম সার্কেলে গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ সিম বিক্রি হয়েছে বিএসএনএল-এর। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও লাভের মুখ দেখতে পারে বিএসএনএল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here