andhra lost girl, going to get her family, bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি আজ সারা বিশ্বে সমাদৃত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ডাকা এক আহ্বানে বড় কর্মসূচি রূপ পাচ্ছে। কোথাও রাস্তায় নেমে সরকার বিরোধী অন্দোলন সক্রিয় হচ্ছে। এবার এক কিশোরীর মা-বাবাকে ফিরিয়ে দিল সোশ্যাল মিডিয়া। অন্ধপ্রদেশের ষোড়শি ভবানি ফেসবুকের সৌজন্যে ফিরে পেল তার পরিবারকে। যারা তার জীবন থেকে প্রায় হারিয়েই গিয়েছিল আজ থেকে বারো বছর আগে। অবশেষে পরিবারের সঙ্গে ফের মিলতে চলেছে ভবানী। আর এটা সম্ভব হয়েছে ফেসবুকের সৌজন্যে। অন্ধ্রপ্রদেশের এই তরুণী এখন পরিবারের সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দে উচ্ছ্বসিত। অন্ধ্রেরই বাসিন্দা ভামসি কৃষ্ণার বাড়িতে কাজ করত ভবানি। ভামসিকেই ভবানি জানিয়েছিল যে সে তাঁর পরিবারের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল ১২ বারো বছর আগে। যখন তার বয়স ছিল মাত্র চার বছর। তাঁর পরিবারের বাস অন্ধপ্রদেশের বিজয়নগরম জেলার চিপুরুপল্লীতে। ভবানিকে দত্তক নিয়ে নেন এক মহিলা। বিজয়ওয়াড়ায় সেই মহিলার কাছেই থাকত মেয়েটি। আর যার জন্য ভবানি তার বাড়িতে ফিরে যেতে পারছে, তিনি হলেন ভামসি কৃষ্ণা। কারণ তিনিই ফেসবুকে ভবানির বাবা-মা, ভাই-বোনের খোঁজখবর নিতে থাকেন।

ভামসি জানিয়েছেন, তিনি সবসময়ই তাঁর কাছে যাঁরা কাজ করতে আসে তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তাই ভবানির কাছে তার সম্পর্কে জানতে চান। ভবানির নথিপত্র দেখতে চান। সইসময়ই ভবানি জানায় যে, তার কাছে কোনও তথিপত্র নেই কারণ সে তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বারো বছর আগে। এরপরই ভামসি মেয়েটির কাছে জানতে চান যে সে তার বাবা-মাযের সঙ্গে দেখা করতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে ভবানি জানায় একেবারেই সে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চায়। এরপরই ফেসবুকে খোঁজ শুরু করেন ভামসি কৃষ্ণা। খুঁজতে খুঁজতেই ভবানির ভাইকে পেয়ে গেলেন ভামসি।

ভামসি ভবানির বিবরণ ফেসবুকে দিয়ে দেন, এরপর বিভিন্ন জায়গা তেকে ভবানির বিষয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেন অনেকেই। একজায়গা থেকে আসা বিভিন্ন বিবরণ মিলে যায় ভবানির দেওয়া বিবরণের সঙ্গে। এরপরই ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমে নিজের পরিবারের লোকোদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভবানি।

এত বছর পর নিজের পরিবরারে ফিরে যেতে পারবে বলে ভীষণই খুশি ভবানি। যদিও তার সৎ মা জয়াদেবী ভবানির এই সিদ্ধান্তকে প্রথমদিকে মেনে নিতে পারেনি। তবে পরে তিনি সায় দেন ছোট্ট মেয়েটির আগ্রহে। এবার ভবানির ঘরে ফিরে যাওয়ার পালা। এতবছর পর বাবা-মাকে ফিরে পেয়ে পৃথিবীর সবথেকে খুশি মানুষ হয়ত ভবানিই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here