নিজস্ব প্রতিবেদক, বারাকপুর: পুলিশ কর্মীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর ২৪ পরগণার ব্যারাকপুরে। মৃত ওই পুলিশ কর্মীর নাম সুব্রত বসু (৫৮)। ব্যারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে ওই পুলিশ কর্মীকে কেউ বা কারা শনিবার রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে এসে চিকিৎসকদের হাতে তুলে দিয়ে বেপাত্তা হয়ে যায়। ডাক্তাররা ওই পুলিশকর্মীকে মৃত বলে ঘোষনা করে।

সূত্রের খবর, ব্যারাকপুর পুলিশ ট্রেনিং কলেজে লাটবাগানে নিজের কোয়ার্টারে দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সোমা বসুকে নিয়ে থাকতেন সুব্রত বসু। ঘটনার পর থেকেই বেপত্তা হয়ে যায় তার দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সোমা বসুও। মৃত ওই পুলিশ কর্মী বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানা এলাকায় ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সুব্রত বসু সম্প্রতি ছুটিতে তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে ব্যারাকপুর পুলিশ ট্রেনিং কলেজে নিজের কোয়ার্টারে এসেছিলেন। মৃতের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দাবী, সুব্রত বাবুকে মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছে। সম্পত্তিগত কারনে দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী এই খুনের ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে বলে মৃতের আত্মীয়দের অনুমান। টিটাগড় থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে । জানা গিয়েছে, সুব্রত বাবুর প্রথম পক্ষের স্ত্রী কয়েক বছর আগে অসুস্থ হয়ে মারা গেলে তিনি দ্বিতীয়বার ফের বিয়ে করেছিলেন। এই ঘটনায় ব্যারাকপুর লাটবাগান পুলিশ ট্রেনিং কলেজে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই মৃতের স্ত্রীকে আটক করেছে টিটাগড় থানার পুলিশ। এই খুনের বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here