covaxin

মহানগর ডেস্ক: ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের দুটো ডোজ শরীরে প্রবেশ করার ১৪ দিনের মাথায় শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। সেই অ্যান্টিবডি কম করে তিন মাস থাকবে। অর্থাৎ কম করে তিন মাস করোনার থেকে সুরক্ষা দিতে পারবে কোভ্যাক্সিন বলে বিশ্বের প্রথম সারির মেডিক্যাল জার্নাল ‘দ্য ল্যানসেট’ জানিয়েছে।

কোভ্যাক্সিন কতটা কার্যকরী সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। আতঙ্কে অনেক স্বাস্থ্যকর্মী কোভ্যাক্সিন নেননি। তবে ভারত বায়োটেকের তরফে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে আনা হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, এই কোভ্যাক্সিন ৮১ শতাংশ কার্যকরী। যদিও এর আগেই মেডিক্যাল জার্নাল দ্য ল্যানসেট দাবি করেছিল, কোভ্যাক্সিন সুরক্ষিত। কোভ্যাক্সিনে সামান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে, যেমন ইঞ্জেকশনের সূঁচ ফোটানোর জাগায় হালকা ফোলাভাব, ব্যাথা, ঝিমুনি, মাথাব্যাথা। সাধারণ মানুষের আতঙ্ক দূর করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষবর্ধন করোনার ভ্যাকসিন নেন। এইমসে করোনার টিকা নেওয়ার পর টুইটে প্রধানমমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘এইমস থেকে আমি করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছি। করোনা মোকাবিলা করতে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা যে শক্তি দেখিয়েছেন, তাতে আমি অবিভূত। দ্বিতীয় পর্যায়ের করোনার ভ্যাকসিনের জন্য যাঁদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে, তাঁদের স্বাগত।’

গত ১৬ জানুয়ারি থেকে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে দেশে। প্রথম পর্যায়ে দেশের স্বাস্থ্যকর্মীদের ও ফ্রন্টলাইনার করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। দেশে প্রায় এক কোটি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। একদিকে, করোনার টিকাকরণ যেমন গতি বাড়ছে, তেমনি দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ১ মার্চ থেকে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে। ১ মার্চ থেকেই ষাটর্ধ্ব নাগরিক ও ৪৫-এর ওপর কো-মর্বিটি থাকা নাগরিকদের করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here