entertainment news

আরাত্রিকা দে: ধরিত্রী অভ্যস্ত ছিল ছটি ঋতুতে । কিন্তু অনিয়মের এক সপ্তম ঋতু ই যে “দোসর” হয়ে উঠবে তা কে জানত? এই ঋতু যে ম্যাজিকাল৷ দর্শক সন্ধান পেলেন হারিয়ে যাওয়া “হীরের আংটির” । তাঁর “অন্দরমহলে” যেন স্ফূর্তির বাস, সবটাই যেন “খেলা খেলা দিয়ে শুরু, খেলতে খেলতে শেষ”। এই ঋতু পরিবর্তনে বাংলা ছবির সারলো “অসুখ” , শুরু হল “শুভ মহরৎ”। মিটলো তীব্র “দহন” , আরম্ভ হল বাংলা চলচিত্রের “উৎসব”।

দর্শক তো জানতেন ৭২ ইঞ্চির “সব চরিত্র কাল্পনিক “। কিন্তু এ যে বড়ো জীবন্ত। সেদিন বড়ো চেনা ঠেকেছিল রুপোলি পর্দাটাকে । মধ্যবিত্ত প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছিল না ছুঁতে পারা সেই পর্দায়। শব্দে নয় তখন থেকেই যেন এক দাবি জন্ম নিয়েছিল সবার মনে। নিজেকে দেখার দাবি।

মেঘ পিয়নের দেশ থেকে দাবি মিটিয়ে চলেছিল ” চিত্রাঙ্গদা”। তবে কে জানত ক্ষণিকের অতিথি হয়েই এসেছিল অনিয়মের ঋতু? নইলে “১৯ শে এপ্রিল “, ” বাড়িওয়ালি” “চোখের বালি” , “মেমোরিস ইন মার্চ” বা “আরেকটি প্রেমের” গল্প বলেই কী হঠাৎ” নৌকা ডুবি ” হয়? শুভানুধ্য়ায়ীরা বলেন আজীবন চরিত্রের ” সত্যান্বেষণ “করেছেন ঋতুপর্ণ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে গেলো। “কেউ আলো খুঁজে পায়নি বলেই কি নিরুদ্দেশ” ? নইলে ৭ বছর আগে সপ্ত ঋতুর বিদায় বেলায় কেনও কাঁদলো আকাশ? ” আবহমান “কাল ধরে তার উত্তর বোধহয় অধরাই থাকবে, তাতে যায় আসে না কিছু। তোলা রইলো ” রেনকোট ” প্রতিবার তুমি ধরা দিও ধারাপাতে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here