kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিজের সভায় যে ভঙ্গিতে দেখা যায় আব্বাস সিদ্দিকীকে, আজ তার থেকে অনেক কড়া মেজাজে ব্রিগেডে দেখা গেল তাঁকে। তার আগে আব্বাস সিদ্দিকী মঞ্চে ওঠার সময় গোটা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড কেঁপে ওঠে ‘ভাইজান’ ‘ভাইজান’ ধ্বনিতে। ‘ভাইজান’ মঞ্চে উঠতেই সব বাম নেতা তাঁকে স্বাগত জানাতে এগিয়ে আসেন। সেই সময় বক্তব্য রাখছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। ভাইজানের নামে তীব্র কোলাহলে অধীর চৌধুরী নিজের বক্তব্য থামিয়ে দিতে বাধ্য হন। কিছুক্ষণ পর অধীর তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন তিনি।

এরপর বক্তব্য রাখতে ওঠেন আব্বাস সিদ্দিকী। সেই সময় আবার ব্রিগেড ময়দান গর্জে ওঠে ‘ভাইজান’ ধ্বনিতে। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আব্বাস সিদ্দিকী নিজের দলের কথা, জোটের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি তৃণমূল ও বিজেপিকে তীব্র ভাষায় নিশানা করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সমস্ত সমস্ত দাবি মেনে নিয়ে বামেরা এগিয়ে এসেছে। আমরা ঘোষণা করছি, যেখানে বামেরা প্রার্থী দেবে তাদের আমরা জেতানোর জন্য জান-প্রাণ লড়িয়ে দেব। এই বাংলা থেকে আজ আমরা শপথ নিচ্ছি, বিজেপি’র কালো হাত ভেঙে দেবো গুঁড়িয়ে দেবো। আমি মনে করেছিলাম ব্রিগেডে সভা করব। কিন্তু আমার দলের কর্মীদের পাশাপাশি সেলিম দা-ও বলেছেন, আমরা একসঙ্গে জমায়েত হতে পারলে সেটা ভাল হবে। তাই আজ সেই মিলিত ব্রিগেডে আমি আজ এসেছি। একটু আগে যদি জোট হয়ে যেত, তা হলে আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি এর দ্বিগুণ লোক নিয়ে আসতাম ব্রিগেডের মাঠে।‘

​এরপর তিনি বলেন, ‘রাজ্যের শাসকদলের দুর্নীতির অপর রাজ্যের মানুষ অতিষ্ঠ। প্রশাসন দিয়ে মানুষকে আটকে রাখা হয়েছিল। আজ আর ভয় পাওয়ার দরকার নেই। এখন দিদির হাতে আর ক্ষমতা নেই। আমরা এক নতুন বাংলা গড়ব। আমি বাম শরিকদের ভোট দেওয়ার কথা বলেছি। আপনার মনে মনে হতে পারে, কংগ্রেসের জন্য কেন বলিনি। আমি বলছি, কেউ আমার দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়ালে আব্বাস সিদ্দিকী তাকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত। গোটা বাংলায় আজ যদি সবচেয়ে বেশি কেউ আফসোস করেন, তিনি হলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নিজের দলকে বুঝিয়ে আমাদের জন্য ৩০টি আসন ছাড়ার জন্য আমি বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর কাছে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞ।‘

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here