মহানগর ওয়েবডেস্ক: গত ৭ আগস্ট কোঝিকোড় বিমানবন্দরে অবতরণের সময় পিছলে দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমান। অবতরণের সময় দেরিতে টাচডাউন করার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে বলে মত ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) প্রধান অরুণ কুমারের।

হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘টাচডাউনের সময় বিমানটি বেশ কিছুটা দেরি করে। সেটি ৩০০০,২০০০ না ১০০০ ফুট দেরি করেছিল তা বিশদ তদন্তে জানা যাবে। তবে যদি কোনও রানওয়ের দীর্ঘ ১২০০০ ফুট হয় আর বিমান টাচডাউন করে ৮০০০ ফুটে, তাহলে দুর্ঘটনা ঘটতে বাধ্য।’

অন্যদিকে, এয়ার ইন্ডিয়ার তরফ থেকে সোমবার জানানো হয়েছে দুর্ঘটনায় আহত ৫৬ জন যাত্রীকে আজ হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তারা এখন পুরোপুরি সুস্থ। গত শনিবার বিমান পরিবহন মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছিলেন, মোট ১৪৯ জন যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে পিছলে গিয়ে খাদে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমানটি ভেঙে কয়েক টুকরো হয়ে যায়। এই ঘটনায় মারা যান পাইলট, সহ পাইলট। শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে কেরলের কোঝিকোড়ের কারুপুর বিমানবন্দরে। ১৮ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি আহত হন ১০০ জনের বেশি যাত্রী।আহতদের যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার করে কাছাকাছি বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়।

এয়ার ইন্ডিয়ার এক্স ১৩৪৪ বিমানটি ১৮০ জন যাত্রী নিয়ে দুবাই থেকে কোঝিকোড়ে আসছিল। যাত্রীদের মধ্যে ছিল বেশ কয়েকজন সদ্যোজাত ও শিশু। কারুপুর বিমানবন্দরে যখন বিমানটি আসে, সেই সময় তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির কারণে পিচ্ছিল হয়ে পড়ে টেবিলটপ এই রানওয়েটি। বিমানটি অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন পাইলট। রানওয়ে থেকে পিছলে গিয়ে খাদে পড়ে দুই টুকরো হয়ে গিয়ে বিমানটি ভেঙে যায়। বিমানের সামনের অংশটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here