news national
Parul

মহানগর ডেস্ক: কেন্দ্র প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ২০২১ শেষ হওয়ার আগেই দেশের প্রত্যেকে পেয়ে যাবেন কোভিড ভ্যাকসিন। যত দিন যাচ্ছে ততই যেন কঠিন হয়ে পড়ছে সেই লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়ার স্বপ্ন। এখন যা পরিস্থিতি তাতে সময়ের মধ্যে প্রত্যেককে ভ্যাকসিন দিতে গেলে দৈনিক টিকাকরণের সংখ্যা রাখতে হবে ৮.৬ মিলিয়ন।

ads

দাপট কমেছে অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের। এখন আলোচনায় সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউ। তৃতীয় পর্যায়ে উঁকি মারে দাপট কতটা দেখা যাবে তার অনেকটাই নির্ভর করছে করোনা প্রতিষেধক ক’জনকে দেওয়া হয়েছে তার উপর। টিকার দু’টি ডোজ থাকলে সুরক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। এখন জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ। বিজ্ঞানীদের একাংশ অনুমান করছেন পুজোর মরসুমে সর্বোচ্চ ক্ষমতায় থাকতে পারে তৃতীয় ঢেউ। সে ক্ষেত্রে টিকাকরণের এখন থেকেই জোর দেওয়া প্রয়োজন। যদিও এখনও অভিযোগ করা হচ্ছে, পর্যাপ্ত টিকার জন্য।

নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে গেলে ডিসেম্বর শেষ হবার আগেই দেশের প্রত্যেক নাগরিককে টিকা দিতে হবে কেন্দ্র সরকারকে। মনে করা হচ্ছে, অতিমারি তৃতীয় পর্যায়ে বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য দেশের ৬০ শতাংশ নাগরিককে প্রদান করতে হবে করোনার টিকা। ভারতে বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১.৩ বিলিয়ন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগে দৈনিক ৮.৬ মিলিয়ন ইঞ্জেকশন দিতে হবে গ্রাহকদের। তবেই সম্ভব দু’টি করে ডোজ।

এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময় যাবৎ প্রায় ৪ মিলিয়ন ভারতবাসীকে দেওয়া হচ্ছে টিকা। যা ৮.৬ মিলিয়নের থেকে ৪.৬ মিলিয়ন কম। রবিবার পার্থক্যটা ছিল আরো বেশি। এদিন মাত্র ১.৫ মিলিয়ন মানুষ পেয়েছিলেন প্রতিষেধক। কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রার থেকে ৭.১ মিলিয়ন কম। অন্যদিকে এখনো দৈনিক হারে ভাইরাস সংক্রমিত হচ্ছে মানব দেহে। মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৭০৩ জন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here