kolkata news

Highlights

  • যুবকের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হল উলুবেড়িয়ার বড়গ্রামে
  • বন্ধুদের হাত রয়েছে এই সন্দেহে মৃত যুবকের দুই বন্ধুকে মারধর করলেন স্থানীয় লোকজন
  • পুলিশ দুই যুবককে উদ্ধার করতে গেলেও প্রথমে গ্রামবাসীরা তাদের বাধা দেয় এবং দোষীদের শস্তির দাবি তোলে

নিজস্ব প্রতিনিধি, উলুবেড়িয়া: এক যুবকের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হল উলুবেড়িয়ার বড়গ্রামে। এই মৃত্যুর ঘটনায় তারই বন্ধুদের হাত রয়েছে এই সন্দেহে মৃত যুবকের দুই বন্ধুকে মারধর করলেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ওই দুই যুবককে উদ্ধার করে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজাপুর থানা এলাকার বড়গ্রামের আমতলায়। মৃত যুবকের নাম রমেশ বাগ (১৮)।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পেশায় সেলুন দোকানের কর্মী রমেশ বাগকে তার ৪ বন্ধু তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রমেশের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন রাতে রমেশ বাড়ি ফেরেননি। শুক্রবার ভোরে আমতা থানা এলাকার ছোটপোল থেকে রমেশের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

অন্যদিকে, ঘটনার দিন রাতে রমেশের এক বন্ধু শ্যামল পরামাণিক রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, শ্যামল সুস্থ হওয়ার পর রমেশের দুই বন্ধু আকাশ দাস ও পলাশ দাসের নাম বলে। সে এ-ও জানায়, তারা এক বন্ধুর আত্মীয়ের বাড়িতে বসে মদ খায়। শ্যামলের মুখে একথা শোনার পর মঙ্গলবার দুপুরে একটি ক্লাব ঘরে বন্ধ করে রেখে এলাকাবাসী পলাশ ও আকাশ দাসকে আটকে ব্যাপক মারধর শুরু করে।

এদিকে মারধরের খবর পেয়ে রাজাপুর থানার পুলিশ দুই যুবককে উদ্ধার করতে গেলেও প্রথমে গ্রামবাসীরা তাদের বাধা দেয় এবং দোষীদের শস্তির দাবি তোলে। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। রাজাপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

মৃতের পিসি লক্ষী দলুইয়ের অভিযোগ, ওরা রমেশকে ডেকে নিয়ে যায়। তার অভিযোগ, ওরা রমেশকে খুন করেছে। জানা গেছে, গত শুক্রবার ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। মৃতের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, পুলিশ খুনকে দুর্ঘটনা বলে চালাতে চাইছে। পুলিশ ঘটনার সঠিক তদন্ত করুক। মৃত যুবকের বাবা কালীপদ বাগ বলেন, আমার ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার হল আর ওর এক বন্ধু রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে এল। এজন্যই আমাদের সন্দেহ ওরা আমার ছেলেকে খুন করেছে। ঘটনার পর থেকে শ্যামল অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় আমরা ওর কাছে থেকে কিছু জানতে পারিনি। এই ঘটনায় ছেলের বন্ধুরা যুক্ত বলে তিনি জানান এবং দোষীদের শস্তির দাবি তোলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here