মহানগর ওয়েবডেস্ক: শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বাইপাসের ধরে গত ২৯ জুলাই এক হাসপাতালে ভর্তি হন বর্ষীয়ান বাম নেতা শ্যামল চক্রবর্তী। তার পরেই গত ৩০ তারিখ নাগাদ তাঁর শরীরে করোনা ধরা পড়ে, এরই সঙ্গে শরীরে একাধিক রোগ থাকায় ক্রমেই আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন বর্ষীয়ান এই বাম নেতা। আজ দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।

ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে রাজ্য রাজনীতিতে উথান শ্যামলবাবুর। সিটুর রাজ্য সভাপতি ছিলেন। রাজনীতি ছিল ধ্যান জ্ঞান। বাবার প্রয়াণে এদিন সংবাদমাধ্যমে কিছুটা স্মৃতিচারণা করেছেন মেয়ে ঊষসী চক্রবর্তী।

অভিনেত্রী এদিন বলেন, ‘আমার মা ছিল না, বাবার কাছেই বড় হয়েছি। ছোটবেলা থেকেই বাবা আমার উপর তাঁর মত চাপিয়ে দেননি। নিজের মতো করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। পার্টির কাজ সামলে নিয়ে আমাকে বড় করেছেন। একজন সর্বক্ষণ রাজনৈতিক কর্মীর জীবন কেমন হওয়া উচিত তার উদাহরণ ছিলেন বাবা। পার্টি অন্ত প্রাণ ছিলেন তিনি। কখনও কোনও দিন দুর্নীতির কোনও অভিযোগ ওঠেনি তাঁর বিরুদ্ধে।’

রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ ছিলেন শ্যামল চক্রবর্তী। এমনকি বাম আমলে সামলেছেন পরিবহন দফতরও। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও ছিলেন তিনি। এদিন এই বর্ষীয়ান নেতার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ দুপুর ১.৩০ নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। প্রবীণ সিটু নেতার মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here