adhir modi news

Highlights

  • এই ধর্নায় অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছেন সংখ্যালঘু মহিলারা
  • যা জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে
  • অধীরের সাফ কথা, প্রধানমন্ত্রী যদি সৎ হন তবে অবশ্যই শাহিনবাগে যাবেন

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাজধানী নয়াদিল্লির শাহিনবাগে গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে বিক্ষোভ ও আন্দোলন। সিএএ বিরোধী এই ধর্নায় অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছেন সংখ্যালঘু মহিলারা। যা জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারেও উঠে আসছে এই ইস্যু। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বেনজির আক্রমণ শানিয়েছেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর সাফ কথা, প্রধানমন্ত্রী যদি সৎ হন তবে অবশ্যই শাহিনবাগে যাবেন।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বহরমপুরের সাংসদ এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘তিন তালাক আইনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুসলিম বোনেদের জন্য চোখের জল ফেলছিলেন। এখন কিন্তু ওনার শাহিনবাগ যাওয়া উচিত। ওখানে মা-বোনেরা সিএএ নিয়ে বসে আছেন, প্রধানমন্ত্রীর মনে সততা থাকলে তিনি সেখানে অবশ্যই যাবেন।’ অধীর প্রথম থেকেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে আক্রমণাত্মক থেকেছেন সরকারের দিকে। এই বিল যখন সংসদে এসেছিল তখনও তিনি কেন্দ্রকে বেনজির কটাক্ষ করেছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও ছেড়ে কথা বলেননি। সরকার সিএএ আমদানি করার সময় অধীরকে বলতে শোনা গিয়েছিল, মোদী-শাহ নিজেরাই ‘অনুপ্রবেশকারী’। ওনারা গুজরাট থেকে দিল্লিতে এসেছেন।

বস্তুত দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে শাহিনবাগের বিক্ষোভ। বিজেপি লাগাতার এই ইস্যুতে আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে। শাহিনবাগের আন্দোলনকারীদের কখনও ‘পাকিস্তানি’, কখন ‘দেশবিরোধী’, কখনও বা ভারতের টুকরো করা মানুষ বলে বলা হচ্ছে। অমিত শাহ রবিবার এমনটাও বলেছিলেন, ইভিএমের বোতাম এত জোরে টিপুন যেন সেটার কারেন্ট শাহিনভাগেও লাগে। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদও এদিন বলেছেন, শাহিনবাগের আন্দোলনকারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠদের কণ্ঠস্বর চেপে দিচ্ছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here