মিশতে হবে তো সেই কংগ্রেসেই, তাই নিজের চরকায় তেল দিন না! মমতাকে ঠুকলেন অধীর

0
66

মহানগর ওয়েবডেস্ক: কংগ্রেস বা সিপিএমে যদি কোনও ভালো কর্মী থাকে তবে নিয়ে আসুন। একুশের মঞ্চ থেকে এভাবে সোজাসুজি অন্য দল ভাঙিয়ে আনার উপদেশ দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে ব্যাপক কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন ওই দুই দলের নেতারা। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এহেন কথা শুনে ছেড়ে কথা বলেননি সুজন, সোমেনরা। ‘নৌকা ডুবছে বুঝতে পেরে হাতড়াচ্ছেন যদি কোনও সম্বল পাওয়া যায়।’ আক্রমণ করে বলেছিলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা তথা যাদবপুরের বিধায়ক। অন্যদিকে বহরমপুরের রবিনহুড দিল্লিতে থাকলেও এই বিশেষ দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেননি।

দলীয় কর্মীরাই বলছেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবারের শহিদ দিবস ছিল অনেকটাই নিষ্প্রভ। সেটা লোকসভা ভোটে শাসকদুর্গের ফাটল চওড়া হওয়ার কারণে। নাকি রবিবার ছুটির মেজাজের জন্য, তা নিয়ে তর্ক চলতে পারে। কিন্তু মোদ্দা কথা হচ্ছে, প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। সেই কারণে নেত্রীর বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে ছিলেন কর্মীরা। তাঁর ভোকাল টনিক ঘু ধরা দলকে কতটা উজ্জীবিত করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য ছিল সকলের। এতকিছুর পরও দিনের শেষে কোথাও যেন একটা ‘কিন্তু’ রয়েই গেল দলের অন্দরেই।

বাম, কংগ্রেস থেকে কর্মীদের টানার প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরিকে বলতে শোনা যায়, আমাদের মধ্যে কে ভালো রয়েছে সেটা প্রশ্ন নয়। ওদের মধ্যে কে ভাল খুঁজে বার করতে হবে। কারণ পুরো তৃণমূলটাই তো কাটমানিতে রূপান্তরিত হয়েছে। কংগ্রেসের কথা চিন্তা না করে তৃণমূলকে নিয়েই ভাবার জন্য মমতাকে পরামর্শ দিয়েছেন অধীর। লোকসভায় কংগ্রেসী নেতার স্পষ্ট কথা, একদিন এই কংগ্রেসের কাছেই ফের আত্মসমর্পণ করতে হবে মমতাকে। তাই কংগ্রেসের কথা না ভেবে নিজের চরকায় তেল দিন। একই সুর শোনা যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর গলাতেও। মুখ্যমন্ত্রীর দল ভাঙানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কংগ্রেসকে নিয়ে ভাববেন পরে, আগে নিজের দল সামলান।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here