kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ড্রাগন ফল দিয়ে রং তৈরির পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবিষয়ে বিভিন্ন রং কোম্পানি গুলোর সঙ্গে পরামর্শ করার ও কথা বলেন তিনি। বুধবার বহরমপুরের রবীন্দ্র সদনে মুর্শিদাবাদ জেলার প্রশাসনিক বৈঠক একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলার প্রশাসনিক কর্তারাও ।

এদিন প্রশাসনিক বৈঠকে চলাকালীন খাদ্য পরিকল্পনা বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হঠাৎই  ড্রাগন ফলের প্রসঙ্গ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ড্রাগন ফল অত্যন্ত উপকারী যা শুধুমাত্রই শরীরের রক্তের চাহিদা পূরণ করে তাই  নয়, তারসঙ্গে শরীরের চাহিদা মতো মিনারেল ও ভিটামিনেরও যোগান দেবে। তাই এই ফলের এক্সপোর্টার ক্ষেত্রে নজর দিতে হবে।” এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন,  “এই ড্রাগন ফলের থেকে রং তৈরী ও করা যেতে পারে। এই ফলের রং এতটাই গাঢ় যে ওই ফলের খোসা দিয়ে নিমেশেই  রং তৈরী করা যায়। যা দিয়ে তৈরী হবে বাড়ির দেওয়ালে লাগানোর রং। এই রং হবে অরগানিক । যার মাধ্যমে গড়ে তোলা যাবে সেল্ফ  হেল্প গ্রূপ। এমনকি এই রং দিয়ে করা যাবে বুটিকের কাজ।” এদিন এই বিষয়টিকে নিয়ে বিভিন্ন নামি রং তৈরীর কোম্পানি গুলোর সঙ্গে কথা বলারও পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর কথায় , “ড্রাগন ফলের যে খোসা সেটি শুকিয়ে তার মধ্যে ক্যামিক্যাল দিয়ে বুটিকের কাপড় তৈরী করা যাবে। যেমনটা  মুর্শিদাবাদ সিল্ক হয়।”

এদিন ড্রাগন ফল ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী পেঁয়াজ  সংরক্ষণের  বিষয়টি  নিয়েও আলোচনা করেন। তাঁর কথায় , সারা বছর যদি আলু  সংরক্ষণ করে রাখা যায় তাহলে  পেঁয়াজ কেন সংরক্ষণ করে রাখা যাবে না। আবার থেকে এই বিষয়টির ওপর নজর দিতে হবে। যাতে সারা বছরে যখনই  প্রয়োজন পরবে রাজ্য পেঁয়াজের সাপ্লাই  দিতে পারে।” এই বিষয়টিকে নিয়েও তিনি এক্সপার্টদের  সঙ্গে আলোচনার কথা বলেন। এমনকি এতদিনে কেন এই বিষয়টি নিয়ে ভাবা হয়নি, সে নিয়ে কর্তব্যরত প্রশাসনিক  কর্তাদের ধমকও  দেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরেই এদিন ড্রাগন ফলের বিষয়টি তোলেন তিনি ।

প্রসঙ্গত, ড্রাগন ফল একধরনের ফণীমনসা (ক্যাক্‌টাস) প্রজাতির ফল। বর্তমানে এই ফল গুলো তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়ায় চাষ করা হয়। পরবর্তীকালে এটি  বাংলাদেশেও চাষ করা শুরু হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here