একাত্তের ভারত শিখ ধর্মস্থানে হামলা চালিয়েছিল, তার স্মারক কর্তারপুরে সাজিয়েছে পাকিস্তান

0
kokata bengali njews

মহানগর ওয়েবডেস্ক: কাশ্মীরের বদলে খালিস্তান- এইভাবেই ভারতকে ব্যতিব্যস্ত রাখার পরিকল্পনা করেছে পাকিস্তান৷ আর তাই খালিস্তানপন্থী ভিডিও প্রকাশের পর এবার তাদের নয়া চমক৷ শনিবার শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে কর্তারপুরের গুরুদ্বার দরবারা সাহেব এর সামনে একাত্তরের ভারত-পাক যুদ্ধের স্মারক হিসেবে একটি বোমা করিডরেই সাজিয়ে রেখেছে পাকিস্তান৷ তাতে লেখা ১৯৭১ সালে কর্তারপুরের গুরুদ্বার ধ্বংস করার জন্য ভারতীয় বায়ু সেনা এখানে বোমা ফেলেছিল৷ তবে গুরুর কৃপায় এই দরবারা সাহিব গুরুদ্বার অক্ষত আছে৷ ভারত অবশ্য এখনও এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি৷

৯ তারিখের আগে থেকেই শিখরা কর্তারপুর দরবারা সাহিব গুরুদ্বারে জাঠা করতে গিয়েছেন ভারত থেকে৷ তাঁরাই এমনটা জানান৷ কূটনৈতিক মহলের ধারণা ভারতের বিরুদ্ধে শিখদের ধর্মীয় ভাবাবেগকে খুঁচিয়ে দিতে চাইছে ইমরান প্রশাসন৷ তবে কী এবার কাশ্মীরের পরে পঞ্জাব পাকিস্তানের হামলার লক্ষ্য? এমনটাই মনে করছেন গোয়েন্দারা৷ আর তাই এখন বেশ ঘন ঘন পাকসীমান্ত লাগোয়া পঞ্জাবের অংশে পাক ড্রোন দেখা যাচ্ছে৷ খালিস্তানি আন্দোলন ফের ভারতে সক্রিয় করতে এইভাবেই মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান৷

পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপটেন অমরিন্দর সিং তাই আগেভাগেই বলেছেন ভারতীয় শিখদের বিনা পয়সায় জাঠা করতে দেওয়ার পেছনে পাকিস্তানের নিশ্চয়ই কোনও কূমতলব আছে৷ তাঁর এমন সন্দেহের ২৪ ঘন্টা কাটার আগেই এমন তথ্য উঠে আসল৷ আশির দশকে ভিন্দ্রেনওয়ালারা পঞ্জাব রাষ্ট্রর দাবিতে খালিস্তানি আন্দোলন শুরু করেছিল৷ অমৃতসরে স্বর্ণমন্দিরে কালিস্তানি জঙ্গিরা বেশ কিছু নাগরিকদের বন্দি করে রেখেছিল৷ অপারেশন ব্লুস্টারের মাধ্যেমনাগরিকদের মুক্ত করেছিলেন তৎকালীন প্রদানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী৷ যার জন্য ১৯৮৪ সালের ৩১অক্টোবর তাঁর নিজের আবড়ির গেটের সামনে তাঁরাই শিখ দেহরক্ষিদের হাতে মরতে হয়েছিল তাঁকে৷ এরপর ৯০ এর দশকে পঞ্জাবের তৎকালীন রাজ্যপাল প্রয়াত সিদ্ধার্থ শংকর রায় ও কেপিএস গিল মিলে খালিস্তানি আন্দোলনকে শেষ করে দিয়েছিলেন৷ খালিস্তানি নেতারা কানাডায় পালিয়ে গিয়েছিল৷ তারপর থেকে শান্ত আছে পঞ্জাব৷ তবে এবার সেই শান্তিভঙ্গ ও ভারত সরকারের বিরুদ্ধে শিখদের খেপাতে বোমা কর্তারপুর করিডরে সাজিয়ে রেখেছ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here