kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলি: মুখ‍্যমন্ত্রীর নির্দেশমতো সাদা রং দিয়ে গোল গোল দাগ কেটে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে শহর ও গ্ৰামাঞ্চলে খুলে গেল কিছু মিষ্টির দোকান। বাঙালইর মন আনন্দে ভরে গেলেও এক সঙ্গে অনেক লোকের যাতে জমায়েত না হয়, তার জন‍্য সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে ব‍্যবসায়ী প্রতিষ্টানগুলোকে। সেই মতো ক্রেতারা যাতে সামজিক দূরত্ব বজায় রাখেন তার জন‍্য গোল দাগ কেটে দেওয়া হয়েছে অনেক দোকানের সামনে। হুগলি জেলার অনেক দোকানে স‍্যানিটাইজারের ব‍্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে ক্রেতারা হাত স‍্যানিটাইজড করার পর দোকানির সঙ্গে লেনদেন করতে পারেন। দোকানগুলোর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে প্রশাসন।

লকডাউন চলার একসপ্তাহের মাথায় মিষ্টির দোকান খুলতেই ক্রেতাদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। তবে পছন্দের সমস্ত মিষ্টি এখনই পাওয়া যাবে না। কারণ ক্রেতার সংখ‍্যা স্বাভাবিকের থেকে অর্ধেকের ও কম। সেই সঙ্গে দুধ বা ছানার জোগান পরিমাণে অনেক কম। তবে জিআই ট‍্যাগ পাওয়া বাংলার বিখ‍্যাত রসগোল্লা অবশ‍্যই পাওয়া যাবে সমস্ত দোকানে। সেই সঙ্গে পানতুয়া, কমলাভোগ, লেডিকিনি, বোঁদে, সন্দেশ, দই-সহ বেশ কয়েক প্রকার মিষ্ঠান্ন পাওয়া যাবে। আপাতত এতেই বাঙালিকে রসনা তৃপ্তি করতে হবে। সিঙ্গুরের এক বিখ‍্যাত মিষ্ঠান্ন প্রস্তুতকারী দোকানের কর্ণধার অরুণাংশু রায় জানান, দোকান খোলা রাখার ক্ষেত্রে সরকারি সমস্ত নিয়ম মেনে চলা হবে। এবং ক্রেতারা যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করেন, তার জন‍্য গোল দাগ করা  হয়েছে দোকানের সামনে।  তা ছাড়া মিষ্টির দোকান খোলার ফলে দুধ ও ছানা সরবরাহকারী অনেকের সুবিধা হবে।

অন‍্যদিকে মিষ্ঠান্ন প্রতিষ্টানগুলো খোলায় কিছুটা স্বস্তিতে দুধ ও ছানা সরবরাহকারীরা। সিঙ্গুরের বেড়াবেড়ি ঘোষপাড়ার পূর্নেন্দু মাল বলেন, মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের এই সিন্ধান্তে আমাদের মতো অনেকের উপকার হবে। আগে অনেক দুধ বিক্রির অভাবে নষ্ট হয়েছে, আবার অনেক দুধ ফেলে দিতেও হয়েছে। এখন কিছুটা দুধ স্থানীয় দোকানে দেওয়া যাবে। বাকিটা দুগ্ধজাত জিনিস তৈরি করে তা বিক্রির চেষ্টা করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here