ডেস্ক: কিছুদিন আগেই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করেছিল সুইস ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত একবছরে সেখানে ৫০ শতাংশ বেড়েছে ভারতীয়দের টাকা। কিন্তু এদিন রাজ্যসভায় সম্পূর্ণ অন্য খতিয়ান পেশ করে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের দাবি, ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বিদেশে জমা ভারতীয়দের অর্থের পরিমাণ কমে গিয়েছে। রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে এদিন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল বলেন, ২০১৪-১৭ পর্যন্ত সুইস ব্যাঙ্কে জমা হওয়া ভারতীয়দের অর্থ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কম হয়েছে। তাঁর আরও দাবি, সুইস ব্যাঙ্কে জমা হওয়া পুরো টাকা ‘কালো’ নয়। গোয়েল বলেন, কালো টাকার উপর লাগাম লাগাতে ২০১৪ থেকে একের পর এক পদক্ষেপ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মাসখানেক আগে প্রকাশ পাওয়া সুইস ব্যাঙ্কের খতিয়ানকে নস্যাৎ করে তিনি বলেন, ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে যে তথ্য এসেছিল তা ভুল। সুইস ব্যাঙ্কই নাকি তাদের জানিয়েছে এই কথা। মিডিয়ার তথ্য বাস্তবের থেকে কয়েক ক্রোশ দূরে। গোয়েলের দাবি অনুযায়ী, সুইস অথরিটি জানিয়েছে যে জমা এবং নিকাশি মিলিয়ে ভারতীয়দের টাকা ৩৪-৩৫ শতাংশ কম হয়েছে। এমনকি গত ৩ মাসে নাকি সেই টাকার পরিমাণে ৪৪ শতাংশ কম হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, যেই সুইস ব্যক্তি একমাস আগেই অন্য তথ্য প্রকাশ করেছিল, ৩০ দিনের মধ্যেই সেই তথ্য বদলে গেল কীভাবে?

রাজ্যসভায় এদিন পীযূষ গোয়েল দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কালোটাকায় লাগাম লাগাতে বহু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছেন। সেই পদক্ষেপের ফলস্বরূপই কালোটাকা জমা হওয়ার পরিমাণ কমেছে বলে জানান তিনি। তবে সুইস ব্যাঙ্ক থেকে কালোটাকা কতো জমা হচ্ছে বা তুলে নেওয়া হচ্ছে সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কোনও তথ্য দেয় নি বলে দাবি করেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here