kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: চতুর্থ দফার পর রাজ্যের পঞ্চম দফার ভোটেও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে । উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় ২১৫ নম্বর বুথে বিধি ভেঙে হওয়া জমায়েত হঠাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী শূন্যে গুলি চালায় বলে খবর মিলেছে। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও কোনও গুলি চলেনি বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু, আইএসএফ-এর দাবি, বেআইনি জমায়েত হঠাতে গুলি চালানোর কথা বললেও বুথ থেকে অনেকটা দূরে ছিলেন তাদের কর্মীরা। সেইসময় বাহিনী আচমকা গুলি চালায় বলে অভিযোগ।

এছাড়াও এদিন আরও বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে শাসক তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনায় ভোটপর্ব বিঘ্নিত হওয়ার খবর মিলেছে। কলকাতা লাগোয়া বিধাননগরের শান্তিনগরে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ ও হাতাহাতি ও একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ওই এলাকা। ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে নয়াপট্টিতে বিজেপি প্রার্থী সব্যসাচী দত্তকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেস। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ।

অন্যদিকে, বরানগরের বিজেপি প্রার্থী পার্নো মিত্রকে ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হয়। কামারহাটিতে বুথের মধ্যে বিজেপির পোলিং এজেন্টের মৃত্যুতে সেখানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কল্যাণীর বকুলতলায় ২২৫ নম্বর বুথে সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সকালে বিজেপি সমর্থকদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

তবে, পঞ্চম দফার ভোটে দুপুরের পর নজরে চলে আসে দেগঙ্গা বিধানসভার কুড়লগাছার ২১৫ নম্বর বুথ। এই বুথের বাইরে জমায়েত হঠাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালায় বলে অভিযোগ। ঘটবার জেরে সেখানে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here