নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শ্রমজীবী ক্যান্টিনের পর এবার শ্রমজীবী বাজারে খোলা হস্তে দান সিপিএমের। বর্তমানে আলু থেকে পেঁয়াজ হাত দিলেই ছ্যাকা খাচ্ছে ক্রেতারা। এই অবস্থায় শ্রমজীবী বাজারে আলু পেঁয়াজ বিকোচ্ছে জলের দরে। যা ইতিমধ্যেই প্রশংসা লাভ করেছে সাধারণ মানুষের কাছে।

কুমোরটুলির কাছে রবীন্দ্র সরণীর উপর মদনমোহন তলার সামনে সিপিএম শুরু করেছে এই শ্রমজীবী বাজার। সপ্তাহের শুরুর দিনে শহরের বাজারে পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। সেখানে শ্রমজীবী বাজার দিচ্ছে ৪০ টাকায়। অন্যদিকে, বাজারে চন্দ্রমুখী আলু প্রতি কেজিতে ৩৫ টাকায় বিক্রি হলেও শ্রমজীবী বাজারে দিচ্ছে ৩০ টাকায়। রোজ সকাল ৭টা থেকে ১১ পর্যন্ত ছাত্র-যুব-মহিলা-শ্রমিক সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে বাজার বসছে। কৃষকদের থেকে সিপিএম কর্মীরা সরাসরি ফসল কিনে তা বিক্রি করার ফলেই এত কম দামে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে অনেকদিন আগেই। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উপায়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছে প্রায় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল। যদিও বরাবরের মতোই ব্যতিক্রমী বামেরা। ‘প্রচারে নয়, কাজ দিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে’ এই মূলমন্ত্রকে মাথায় রেখে বরাবরের মতই সরাসরি মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে দেখা গিয়েছে বাম নেতাদের।

ইতিমধ্যেই বামেদের শ্রমজীবী ক্যান্টিন যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে। প্রশংসিত হয়েছে জনসাধারণের কাছে। লকডাউনের জেরে কর্মহীন মানুষের মুখে সস্তায় অন্ন তুলে দিচ্ছে শ্রমজীবী ক্যান্টিন। এছাড়াও আমফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জায়গাতেই সশরীরে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে দেখা গিয়েছে বাম নেতাদের। এরপর এই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে স্লোগান উঠেছে ‘দরকারে পাই তাই সরকারের চাই’। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই স্লোগানকে ভোট পর্যন্ত চিরস্থায়ী করতে ফের নতুন উদ্যোগে জনসেবায় নিয়োজিত হয়েছে বাম শিবির।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here