kolkata news bengali

Highlights

  • হাতি নিয়ন্ত্রণে বন দফতরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে জঙ্গলমহল জুড়ে

     

  • এই অঞ্চল হয়ে উঠেছে হাতিদের নয়া বাসস্থান
  • হাতিদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার জঙ্গলে না থাকায় বারবার লোকালয়ে ঢুকছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, পশ্চিম মেদিনীপুর: ফের হাতির হানায় প্রাণ হারালেন ১ ব্যক্তি। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে শালবনীর ঢ্যাঙাশোল এলাকায়। মৃতের নাম কালিপদ মাহাত (৫৫)। ফের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকা জুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নতুন বছরের শুরুতেই ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের৷ হাতি নিয়ন্ত্রণে বন দফতরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে জঙ্গলমহল জুড়ে৷

জানা গিয়েছে, জঙ্গলমহলের অন্যান্য এলাকার মতো শালবনীতেও বেশ কিছুদিন ধরেই রয়েছে হাতি। শনিবার ভোরবেলা ৩ টি হাতি ঢ্যাঙ্গাশোল গ্রামে হানা দেয়। পরপর বিভিন্ন বাড়িতে খাবারের খোঁজে তাণ্ডব ও ভাঙচুর শুরু করে৷ বাইরে শব্দ শুনতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা কালিপদ মাহাত বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। এরপরেই তিনি হাতির মুখোমুখি পড়ে যান। সেই সময় অন্য ১ হাতি ঘর ভাঙতে শুরু করে। তা দেখেই কালিপদ বাবু ছুটে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেই সময় অন্য ১ টি হাতি তাকে ধরে শুঁড়ে পেঁচিয়ে আছাড় মারে। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি।

গত ২ সপ্তাহেই পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলাতে প্রায় প্রতিদিনই হাতির হামলায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে৷ জানুয়ারি মাসেই ঝাড়গ্রাম জেলাতে মোট ৩ জন প্রাণ হারিয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরে এই নিয়ে প্রাণ হারালেন ৪ জন৷ বনদফতর সূত্রে বলা হয়েছে, এই দুই জেলাতে হাতির পরিমাণ অনেক বেড়ে গিয়েছে৷ তাড়ানো হলেও হাতি বারবার ফিরে আসছে বলে জানানো হয়েছে। এই জঙ্গলমহলকেই হাতিরা নিজস্ব বাসস্থান হিসেবে তৈরি করে ফেলেছে৷ বহু সংখ্যক হাতিদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার জঙ্গলে না থাকায় বারবার লোকালয়ে ঢুকছে। তার ফলেই প্রাণ হারাতে হচ্ছে মানুষকে। দফতর সূত্রে এও বলা হয়েছে, যথাসম্ভব হাতিদের লোকালয় থেকে তাড়ানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সাবধানে থাকতে বলা হয়েছে। ঘটনায় এলাকা জুড়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here