ফিরে আসতে নয় মাস সময় লেগেছিল বায়ুসেনা প্রধানের, ছয় মাসের আগেই ফিরলেন অভিনন্দন

0
112

মহানগর ওয়েবডেস্ক: উইং কমান্ডর অভিনন্দন বর্তমানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন বায়ুসেনা প্রধান বিএস ধানোয়া। সোমবারই অভিনন্দনের সঙ্গে দু আসন বিশিষ্ট মিগ-২১ বাইসনে সওয়ার হয়েছিলেন ধানোয়া। অবসরে যাওয়ার আগে নিজের শেষ উড়ানকে স্মরণীয় করে রাখতে পাকিস্তানের খাঁচা থেকে ফেরত আসা অভিনন্দনের সঙ্গেই সফর করে করেন তিনি। আর সেই উড়ান শেষে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন বায়ুসেনা প্রধান।

ধানোয়া বলেন, ‘অভিনন্দনের সঙ্গে এই সফর একটা দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল কারণ ও ফের ওড়ার অনুমতি পেয়েছে। প্রত্যেক পাইলটই এই অপেক্ষায় থাকে। ১৯৮৮ সালে আমিও একবার ইজেক্ট করেছিলাম। পুনরায় ওড়ার অনুমতি পেতে আমার নয় মাস সময় লেগে গিয়েছিল। কিন্তু ও ছয় মাসেরও কম সময় ফিরে এসেছে। এটা দুর্দান্ত ব্যাপার।’ পঞ্জাবের পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ৩০ মিনিটের উড়ান শেষ জানান বায়ুসেনা প্রধান।

বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পরই শিরোনামে উঠে আসেন অভিবন্দন। কিন্তু তা এয়ারস্ট্রাইকের জন্য নয়। বরং ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইকের পরদিনই পাল্টা পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানকে ধ্বংস করার জন্য। পাকিস্তানের দু’টি বিমানকে তাড়া করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। যার মধ্যে একটি মিগ-২১ বিমানে সওয়ার ছিলেন অভিনন্দন। পুলওয়ামায় জইশ জঙ্গিদের হামলার ফলশ্রুতি হিসেবেই ঘটে পরপর এই ঘটনাগুলো। সেই সময় পাকিস্তানের বিমানকে আঘাত করতে গিয়ে ভয়ঙ্করভাবে আহত হন অভিনন্দন। গিয়ে পড়েন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। শেষ বীরদর্পে ফিরেও আসেন ভারতে।

একাধিক শারীরিক আঘাত নিয়ে পাকিস্তান থেকে ফিরে এসেছিলেন অভিনন্দন। এরপর টানা ছয় মাস চিকিৎসার মধ্যে ছিলেন তিনি। কিন্তু ছয় মাস ফুরোতে না ফুরোতেই অভিনন্দনের ফিরে আসায় চমকে গিয়েছেন খোদ বায়ুসেনা প্রধানও। তাঁর কথায়, ‘আমি শেষবার যুদ্ধ বিমান ওড়ালাম। আমাদের দু’জনের মধ্যে কয়েকটা বিষয়ে মিল রয়েছে। প্রথমত, আমরা দু’জনেই ইজেক্ট করেছিলাম। দ্বিতীয়ত, আমরা দু’জনেই পাকিস্তানিদের সঙ্গে লড়েছি। তৃতীয়ও, আমি ওর বাবার সঙ্গেও বিমানে চেপেছি। তাই অভিনন্দনের সঙ্গে শেষবার বিমান ওড়ানো দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here