সায়ন মজুমদার: খাতায় কলমে কিছুটা হলেও বিপক্ষর থেকে এগিয়ে ছিল তাঁর দল। কিন্তু গত বছর দুটি ডার্বি জেতার পর এবার প্রথম ডার্বিতেই আটকে গেলো ইস্টবেঙ্গল। প্রত্যাশা মতো দাপুটে ফুটবল না খেলতে পারলেও নয়নের দলের খেলায় খুশি ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেহান্দ্রো। সাফ জানালেন, এই ম্যাচকে তিনি ভুল শুধরানোর ম্যাচ হিসেবেই দেখেন।

ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মোহনবাগান বড় দল। জানি এই ম্যাচে সমর্থকরা অনেক প্রত্যাশা করেন। কিন্তু আমার কাছে এটা শিক্ষার ম্যাচ। মোহনবাগানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেললে ভুল গুলো চোখে পড়ে। উন্নতি করা যায় সেগুলো। আমাদেরও করতে হবে।’

আজকে তার দল খুব একটা খারাপ খেলেছে বলে মানতে রাজি নন আলেহান্দ্রো। ‘আমরা খারাপ খেলেছি এটা বলতে পারবো না। দুই দলই বেশ ভালো ফুটবল খেলেছে। প্রথমার্ধে ওরা বেশি মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ করলেও আক্রমণের সুযোগ সেভাবে তৈরি করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দল সমান ভাবেই খেলেছে। আমরাও সুযোগ পেয়েছি, ওরাও পেয়েছে। যে কেউ জিততে পারত,’ বলেন তিনি।

এদিন কেন প্রথম দলে ছিলেন না কোলাডো? সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কিছুটা রেগে যান ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, ‘তিন জন বিদেশি খেলতে পারে। আমার মনে হয়েছে মার্কোস, কাশিম আর মার্তিকে খেলালে বেশি ভালো হবে তাই খেলিয়েছি। আমি হেড কোচ। দলের ভালো যেটাতে হবে বলে মনে হয়, সেই দলই খেলাই। আজ কোলাডোকে খেলালে প্রশ্ন হতো মার্কোসের কী হল। আমি আবার বলছি, আমি আমার দলের খেলায় খুশি। সবাই ভালো খেলেছে। আর খেতাব নিয়ে এখনই ভাবছি না। আপাতত মাথায় আগামী ম্যাচ।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here