kolkata bengali news

Highlights

  • মঙ্গলবার লাল হলুদ কোচের পদ থেকেই সরে দাঁড়ালেন আলেহান্দ্রো মেনেন্দেজ গার্সিয়া
  • হাই প্রোফাইল এই কোচ অচিরেই সমর্থকদের প্রিয় ‘আলে স্যার’ হয়ে উঠেছিলেন
  •  নতুন কোচ যতদিন না নিয়োগ হচ্ছে, ততদিন সহকারি কোচরাই কোলাডো, ডিডিকাদের দায়িত্ব সামলাবেন

মহানগর ওয়েবডেস্ক: আর পারলেন না লড়াই করতে। ক্লাব কর্তা বনাম বিনিয়োগকারী সংস্থার ইগোর লড়াইয়ের মাঝে পরে ‘বলি’ হতে হল আলেহান্দ্রো মেনেন্দেজ গার্সিয়াকে। আর তাই মঙ্গলবার লাল হলুদ কোচের পদ থেকেই সরে দাঁড়ালেন তিনি। ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল, নিজের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়েছেন এই স্প্যানিশ কোচ। নতুন কোচ যতদিন না নিয়োগ হচ্ছে, ততদিন সহকারি কোচরাই কোলাডো, ডিডিকাদের দায়িত্ব সামলাবেন।

গত বছর কোয়েস আসার সঙ্গে সঙ্গে এসেছিলেন আলেহান্দ্রো। হাই প্রোফাইল এই কোচ অচিরেই সমর্থকদের প্রিয় ‘আলে স্যার’ হয়ে উঠেছিলেন। শেষ কবে ইস্টবেঙ্গল গ্যালারিতে কোচের নামে জয়ধ্বনি বা তিফো উড়েছে, তা বলা মুশকিল। জনপ্রিয়তার দিক থেকে সাম্প্রতিক সময়ে লাল হলুদের সবচেয়ে সফল বিদেশী কোচ ট্রেভর মর্গানকেও ছাপিয়ে যান।

যদিও প্রায় দেড় বছর লাল হলুদ কোচের পদে বসে একটি ট্রফিও ক্লাবকে জেতাতে পারেননি আলেহান্দ্রো। তাঁর সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব গত বছর ইস্টবেঙ্গলকে আই লিগে দ্বিতীয় করা। গত বছর তাঁর কোচিংয়ে ভাল পারফর্ম করলেও এই বছর সেইভাবে সফলতা মেলেনি। কোয়েসের উদাসীনতায় ভেঙে যায় গতবারের কোর টিম। এই বছরের যা টিম তৈরি হয়, তা মোটেও পাতে দেওয়ার না।

সেই দল নিয়েও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন আলেহান্দ্রো। কিন্তু রিজার্ভ বেঞ্চ স্ট্রং না হওয়ায় প্রয়োজনে খেলোয়াড় বদলও করতে পারছিলেন না সেইভাবে। জানুয়ারি উইন্ডোতেও কোনও নতুন খেলোয়াড় দলে আসেননি। তবুও এতদিন ডার্বিতে অপরাজিত ছিলেন তিনি। কিন্তু রবিবার সেই ‘শেষ সম্বল’টুকুও চলে যায় মোহনবাগানের কাছে হেরে। তারপরেই আলেহান্দ্রোর বিদায় ঘণ্টা প্রায় বেজে গিয়েছিল।

মঙ্গলবার দল পরিচালন নিয়ে এক বৈঠকে বসেছিলেন কোয়েস ও ক্লাব কর্তারা। সেই বৈঠকের পর জানানো হয়, আলেহান্দ্রো নাকি দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়ে দেশে ফিরে যেতে চেয়েছেন। বিদায় বার্তায় তিনি জানিয়েছেন,

‘এই কদিনে দলের যেটুকু অগ্রগতি হয়েছে তার জন্য আমি খুশি। আমি আশা করছি ভবিষ্যতে নতুন কোচের নেতৃত্বে দল আরও সফলতা পাবে। দলের সঙ্গে আমি যেটুকু সময় কাটিয়েছি, সেটুকু খুব আনন্দের সঙ্গেই কাটিয়েছি।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here