নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্যারাকপুর: হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কিন্তু এলাকায় চাউর হয়েছে তিনি মৃত। শুধু তাই নয়, ওই মহিলার দেহ ময়না তদন্তের পর তার পরিবারকে হস্তান্তরের জন্য হাসপাতাল ও পুলিশ প্রশাসনকে চিঠি লিখে দেওয়া হয়েছে, কাউন্সিলরের এমন মন্তব্যের পরেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার ভোরবেলা বারাসাতের নবপল্লি এলাকায় ওই মহিলা ফুল তুলতে গিয়ে কয়েকজনকে রড চুরি করতে দেখে নেন। প্রতিবাদ করতে গেলে গণধর্ষণের শিকার হন ওই মহিলা । নির্যাতিতার পরিবারের দাবী তাকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বারাসাত হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ভদ্রবাড়ি রোডের বাসিন্দা ওই নিগৃহীতাকে। পরিবারের পক্ষ থেকে দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । নিগৃহীতা মহিলার জীবিত না থাকার গুজব রটায় তার পরিবার কাঠগড়ায় তুলেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর অরুন ভৌমিককে। কারণ, কাউন্সিলরের মন্তব্য ঘিরেই যত গন্ডগোল বাধে।

এ বিষয়ে কাউন্সিলরকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘ওই পরিবার আমার সঙ্গে দেখা করতে এলে পুলিশের সঙ্গে আমি তাদেরকে দেখা করাই। শুধু তাই নয়, এরপরেই কাউন্সিলর অরুণ ভৌমিক জানান, মহিলার দেহ ময়নাতদন্তের পর যেন তার পরিবারকে হস্তান্তর করতে কোনও অসুবিধে না হয়। এই ঘটনার পর থেকেই কাউন্সিলররে এই মন্তব্য ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলর কোনওরকম খোঁজ খবর না নিয়েই নির্যাতিতা ওই মহিলা জীবিত থাকা সত্ত্বেও কিভাবে তাকে মৃত বলে চিহ্নিত করলেন? কাউন্সিলর গোটা ঘটনাটিতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। তাদের পক্ষ থেকে দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ।

একটিতে নিগৃহীতা মহিলার জীবিত না থাকার গুজব রটনা ও শারীরিক অত্যাচার বিষয় নিয়ে তদন্ত করতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অন্যটিতে নিগৃহীতার ছোটো বোন গণধর্ষণ সংবলিত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । দুটিতেই রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর জন্য অভিযোগের কাঠগড়ায় স্থানীয় কাউন্সিলর অরুণ ভৌমিক ও তার দলবল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বারাসাত থানার পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here