kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: গতবারের মতোই স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য দফতর নিজের হাতেই রেখে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও তথ্য-সংস্কৃতি সহ একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্ব তিনি তিনি নিজের হাতে রেখেছেন। আজ রাজভবনে শপথ নেওয়ার পর নবান্নে মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন করা হয়। একাধিক মন্ত্রী যেমন আগের মন্ত্রক পেয়েছেন, তেমনিই অনেক মন্ত্রীর মন্ত্রকবদল করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার হেভিওয়েটদের মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায় পেলেন শিল্প, বাণিজ্য, তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রক। সুব্রত মুখোপাধ্যায় পেলেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং শিল্প পুনর্গঠন। শিক্ষা দফতর ফিরে পেলেন ব্রাত্য বসু। অমিত মিত্র পেলেন অর্থ দফতরের পাশাপাশি পেলেন পরিকল্পনা ও সংখ্যতত্ত্ব।

এক নজরে দেখে নিন কে কোন দফতর পেলেন:

পার্থ চট্টোপাধ্যায়: শিল্প, বাণিজ্য, তথ্য-প্রযুক্তি এবং পরিষদীয় দফতর।

সুব্রত মুখোপাধ্যায়: পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং শিল্প পুনর্গঠন দফতর

অমিত মিত্র: অর্থ, পরিকল্পনা ও সংখ্যতত্ত্ব দফতর

সাধন পাণ্ডে: সুরক্ষা, স্বনির্ভর ও স্বনিযুক্তি দফতর।

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক: বন ও অপ্রচলিত শক্তি মন্ত্রক।  

মানস ভুঁইয়া: জলসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী।

অরূপ বিশ্বাস: বিদ্যুৎ, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতর।

ফিরহাদ হাকিম: পরিবহণ ও আবাসনমন্ত্রী।

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়: কৃষিমন্ত্রী।

ব্রাত্য বসু: স্কুলশিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষামন্ত্রী।

শশী পাঁজা: নারী,  শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর।

বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা: সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী।

মলয় ঘটক: আইনমন্ত্রী।

সৌমেন কুমার মহাপাত্র: সেচ ও জলপথমন্ত্রী।

উজ্জ্বল বিশ্বাস: কারামন্ত্রী।

অরূপ রায়: সমবায়মন্ত্রী।

রথীন ঘোষ: খাদ্য ও গণবন্টনমন্ত্রী।

গোলাম রব্বানি: সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষামন্ত্রী।

বিপ্লব মিত্র: কৃষি বিপণনমন্ত্রী।

পুলক রায়: জনস্বাস্থ্য ও কারিগরীমন্ত্রী।

জাভেদ আহমেদ খান: বিপর্যয় মোকাবিলা ও অসামরিক প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী: গণশিক্ষা ও গ্রন্থাগারমন্ত্রী।

চন্দ্রনাথ সিনহা: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্রমন্ত্রী।

স্বপন দেবনাথ: প্রাণীসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here