ডেস্ক: ছোটে নবাব আর লুৎফার মধ্যে প্রেমের মৌতাত জমেছে ভালই। দুজনে কাছাকাছি এসেছে অনেক। সিরাজ তার প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাতে চায়। আর সেটা সে জানায় তার প্রাণপ্রিয়া বেগম লুৎফাকে। লুৎফার সরল মন বুঝে উঠতে পারে না যে ছোটে নবাব শুধু তার সঙ্গেই সময় কাটাতে চায়। তাই সে চেহেলসেতুনের যারা সিরাজের খুব প্রিয় মানুষ তাদের সকলকেই প্রায় হাজির করে। সিরাজ তো ক্ষেপে আগুন। ভাল সময় কাটাতে সকলে মিলে জঙ্গলে বেড়াতে যায়। সেখানে ছোটে নবাবের রাগ ভাঙাতে ছদ্মবেশ ধারণ করে লুৎফা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে ধরা পড়ে ছোটে নবাবের কাছে।

দুজনে দুজনের সঙ্গে সময় কাটাতে আরও ঘন জঙ্গলে যেতে চায়। ছদ্মবেশ ধরে সিরাজও। আর সেই কাজে তাকে সাহায্য করে লুৎফা। সেখানেও শান্তি নেই তাদের। কে যেন তাদের পিছু করছে। আর সেটা বুঝতে পারে লুৎফা। সে বারবার সিরাজকে কেল্লায় ফিরে যেতে বলে। কিন্তু সিরাজ নারাজ। সে বেগমের সঙ্গে কেল্লার বাইরে রাত না কাটিয়ে ফিরবে না।

হাঁটতে হাঁটতে তারা বাঞ্জারাদের ডেরায় এসে পৌঁছয়। সেখানে বাঞ্জারারা তাদের আপ্যায়ণ করে। বাঞ্জারাদের তৈরি শক্ত রুটি আর ঝাল তরকারি খেয়ে সিরাজের প্রাণ যায় যায় অবস্থা হয়। এরপর কী হল তা জানা যাবে আজকের পর্বে। যে তাদের পিছু নিচ্ছে সে আসলে কে? সে কি সিরাজের কোনও ক্ষতি করে দেবে আজ? নাকি সিরাজ আর লুৎফার ভালবাসার ভিত নাড়িয়ে দিতে হাজির হয়েছে সে? আসল ঘটনা ঠিক কী তা জানতে হলে চোখ রাখুন ‘আমি সিরাজের বেগম’ ধারাবাহিকে। রাত সাড়ে ৯ টায়, স্টার জলসায়।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here