ডেস্ক: পুরুলিয়াতে ২ বিজেপি সমর্থকের মৃত্যুর পর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ কথা দিয়েছিলেন রাজ্য সফরে পুরুলিয়াতে তিনি আসবেন। আর চেনা ছকে, পুরুলিয়ার মাটিতে তৃণমূলকে একহাত নিলেন অমিত। রাজ্যের ক্রমবর্ধমান হিংসার সঙ্গে জড়িয়ে ফেললেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকে।

সভামঞ্চে উপস্থিত হয়ে তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলে তিনি বলেন, ‘এটা রামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দের বাংলা। এখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন তৈরি করেছেন। কিন্তু এই সরকারের দৌলতে এখানে শান্তি নেই, অশান্ত এই রাজ্য। রাজ্যের সব কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু বোম বানানোর কারখানা তৈরি হয়েছে। এই বাংলার পরিবর্তন চাইলে বাংলার ভিতরে পরিবর্তন দরকার। মূল সমেত তৃণমূলকে ফেলে দিতে হবে। বিজেপিকে আনতে হবে।’ সভায় উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘ত্রিলোচন ও দুলালকে সম্মান জানাতে আজ লাখ লোক এসেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কান পর্যন্ত আওয়াজ যাওয়া দরকার। তারাপীঠে মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি এত ক্ষমতা দাও যাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে ফেলতে পারি।’

রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েতকে কেন্দ্র করে হিংসার ঘটনাও বাদ যায়নি তাঁর বক্তব্যে, ‘পঞ্চায়েতগুলিতে বিরোধীদের মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি এই শাসকদল। ভোটই দিতে দেয়নি। রাজ্যজুড়ে বেছে বেছে মারা হচ্ছে বিজেপি কর্মীদের। আজ পুরুলিয়া থেকে জানিয়ে দিচ্ছি আপনার সরকার বেশিদিন চলবে না।’ সেইসঙ্গে জনগনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বলে অমিত শাহের অভিযোগ। ত্রিপুরায় চলো পালটাই স্লোগান দিয়ে আমরা বাম সরকারকে অপসারিত করেছি। আজ সেখানে চোরাচালান অনুপ্রবেশ বন্ধ। চিটফান্ড ও সিন্ডিকেটের সরকারকে পরিবর্তন করুন মমতা মহাজোট করতে গেছেন কিন্তু জমি হারাচ্ছেন নিজের পায়ের তলায়। বাংলায় মাফিয়া রাজ চলছে। ২০১৯-এ ২২টির বেশি লোকসভা আসন জিতবে বিজেপি এবং বাংলার ১ নম্বর দল হিসেবে পরিচিতি হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here