ডেস্ক: ২০১৪-র পর থেকে এনডিএ শরিক শিবসেনার সঙ্গে বিজেপি সম্পর্কের গ্রাফ ক্রমশই নিম্নমুখী। নিয়মিতভাবে নিজেদের মুখপাত্র সামনাতে বিজেপি সরকারকে তুলোধোনা করেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। সম্পর্কের শৈত্যতা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তা কয়েকদিন আগে যোগী আদিত্যনাথকে নিয়ে করা উদ্ধবের বয়ানেই স্পষ্ট হয়ে যায়। উত্তর প্রদেশ মুখ্যমন্ত্রীর জুতো খুলে তা দিয়ে তাঁর গালে মারতে চেয়েছিলেন উদ্ধব। কিন্তু শিবসেনার এই অবস্থান ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিপদ ডেকে আনতে পারে বিজেপির জন্য। হাড়ে হাড়ে বিষয়টি টের পেয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।

জানা গিয়েছে, আগামীকালই সন্ধ্যে নাগাদ উদ্ধব ঠাকরের বাসভবন মাতোশ্রীতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত করবেন অমিত শাহ। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এই বৈঠকের মাধ্যমে ভাঙতে থাকা সম্পর্কে প্রলেপ লাগিয়ে তা পুনরায় জোড়া লাগানোর চেষ্টা করবেন অমিত। বলে রাখা ভাল, সম্প্রতি হয়ে যাওয়া উপনির্বাচনে মহারাষ্ট্রের পালঘর থেকে বিজেপির বিরুদ্ধেই লড়েছিল শিবসেনা। যদিও পালঘরে বিজেপিই জয়ি হয়। কিন্তু একে একে এনডিএর শরিকরা যেভাবে কেন্দ্রের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করছেন, তার প্রতিফলন আগামী লোকসভা নির্বাচনে কোনও ভাবেই দেখতে চাইবে না পদ্ম শিবির। সেই কারণে এরপর লাইন দিয়ে শরিক দলগুলির সঙ্গে সাক্ষাত করার কথার কথা রয়েছে বিজেপি সভাপতির।

উপনির্বাচনে হারের ময়নাতদন্তের পাশাপাশি ২০১৯-এর রণনীতি নিয়েও শরিকদলগুলির সঙ্গে আলোচনা করবেন অমিত। উদ্ধবের সঙ্গে সাক্ষাত সেরেই পঞ্জাবের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন সভাপটি। সেখানে বিজেপির শরিক অকালি দলের নেতাদের সঙ্গেও দেখা করে একপ্রস্থ বৈঠক করার কথা রয়েছে। গত ৪ বছরে এই প্রথম বেগতিক বুঝে শরিক দলগুলির সমস্যা শুনতেও রাজি হয়েছন অমিত শাহ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here