kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের আরও চার লক্ষ ডোজ আজ রাজ্যে এসে পৌঁছেছে। সন্ধ্যায় বিমানে সেগুলি কলকাতায় আসে। বাগবাজারের কেন্দ্রীয় স্টোর থেকে সেগুলিকে জেলায় জেলায় বণ্টন করা হবে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। এজন্য আগে থেকেই কোল্ড-স্টোরেজগুলির সংরক্ষণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে।

অক্সফোর্ডের টিকার ফর্মুলায় দেশে কোভিশিল্ড বানিয়েছে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট। গত জানুয়ারি মাসে সেরাম থেকে টিকার ১ কোটি ১০ লক্ষ ডোজ কিনেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কথা ছিল, এপ্রিলের মধ্যে আরও চার কোটি কোভিশিল্ড টিকার ডোজ কেনা হবে। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কোভিশিল্ডের ডোজ আসে জানুয়ারিতে। প্রথম ধাপে পুণের সংস্থা থেকে ৬.৯ লাখ টিকার ডোজ পাঠানো হয়েছিল রাজ্যে। কলকাতার বাগবাজারের কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোর্সে ও হেস্টিংসের গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল স্টোর্সে টিকার ভায়াল রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে জেলায় জেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, নতুন চার লক্ষ টিকার ডোজের ভায়াল খুব দ্রুত জেলাগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

রবিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর যে রিপোর্ট পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র কলকাতায় ১দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১০৯জন। উত্তর ২৪ পরগনায় ১ হাজার ৪৭জন। তুলনায় ছবিটা কিছুটা ভাল হাওড়া, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। সেখানে ১ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০০ পার করেনি। কিন্তু ভয় জাগাচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা। ১ দিনেই মারা গিয়েছেন ১০জন। তার মধ্যে শুধুমাত্র উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেই মারা গিয়েছেন ৫জন। কলকাতায় মারা গিয়েছেন ৩জন। বীরভূম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মারা গিয়েছেন ১জন করে। এই মৃত্যু নিয়েই এখন বেশি করে আশঙ্কিত চিকিৎসক থেকে বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের অভিমত, কোভিডের বর্তমান ভাইরাসটি গত বছরের তুলনায় নিজের শক্তি অনেকটাই বাড়িয়েছে। সেই সঙ্গে কোভিডের উপসর্গগুলিও এখন অন্য রকম ভাবে সামনে আসছে। আর সেখানেই ভয় বাড়াচ্ছে। আগে দেখা যাচ্ছিল যাদের শরীরে হাঁপানি, ডায়বেটিস, ক্যান্সার, কিডনির সমস্যা রয়েছে তাঁরাই কোভিডের জেরে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যারা ডায়রিয়া, থাইরয়েড, সাইনাস, অ্যালার্জির মতো সমস্যায় ভোগেন তাঁরাও কোভিডে আক্রান্ত হয়ে কার্যত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here