‘হিম্মত’ দেখালেন কেষ্ট! প্রকাশ্য সভা থেকে দিলেন অঞ্চল প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ

0
kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, বীরভূম: লোকসভা ভোটের পর খানিকটা চুপসে গিয়ে থাকতে পারেন, তবে দাপট কমেনি কেষ্টর। এবার প্রকাশ্য সম্মেলন থেকেই অঞ্চল প্রধানকে সরানোর নির্দেশ দিলেন, পাশাপাশি আরও চার অঞ্চল সভাপতিকে সরিয়ে দিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। শনিবার বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ছ’টি অঞ্চল এবং সাঁইথিয়া ব্লক ও সাঁইথিয়া শহরের কর্মীসভা ছিল। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নীলাবতী সাহা, সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী, দলের সহ-সভাপতি অভিজিৎ সিনহা সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ।

সেখান থেকেই দেরিয়াপুর অঞ্চল প্রধান মিঠু বিত্তারকে সরানোর নির্দেশ দেন অনুব্রত মণ্ডল। দেরিয়াপুর অঞ্চল সভাপতি বলরাম মন্ডলের অভিযোগ, মিঠু বিত্তারের স্বামী রঞ্জিত গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে কাজ করেছিলেন। এই অভিযোগ পাও‌‌‌য়া মাত্রই জেলা সভাপতি সেই প্রধানকে সরানোর নিদান দিন। প্রসঙ্গত, ওই অঞ্চল প্রধানের পদটি মহিলা তপশিলির জন্য সংরক্ষিত এবং মিঠু দেবী একমাত্র তপশিলি মহিলা।

শুধু তাই নয়, এদিন মহম্মদ বাজার বিধানসভার চরিচা, ভূতুরা এবং আঙ্গার গড়িয়া, এই তিনটি অঞ্চল সহ সাঁইথিয়া ব্লকের হরিসরা অঞ্চলের বর্তমান সভাপতিদেরকে সরিয়ে দিয়ে পাঁচজনের কমিটি করে সেই অঞ্চল চালানোর নির্দেশ দেন অনুব্রত।

অন্যদিকে এদিন ফের তৃণমূলে ফিরে আসেন সাঁইথিয়া শহরের বিজেপি নেতা শান্তনু রায়। ২০১৭ সালে শান্তনু বিজেপিতে যোগদান করেন। তিনি সাঁইথিয়া পুরসভার কাউন্সিলর। বিজেপিতে যোগদানের পর তাকে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের কনভেনার করা হয়। ঘরওয়াপসির পর সান্তনু বাবু বলেন, ‘ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এলাম। সামান্য কিছু ভুল বোঝাবুঝির ফলে চলে গিয়েছিলাম। গিয়ে বুঝলাম বিজেপি কথাসর্বস্ব দল। দিনের-পর-দিন বিজেপি দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে দিয়েছে। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের ফিরে এলাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের জন্য।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here