anubrata

মহানগর ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনের আগে থেকেই বিরোধীদের উদ্দেশ্যে পাচনের বাড়ি থেকে গুড়-বাতাসা, কখনও বা নকুলদানা সবরকম ব্যবস্থাই করে রেখেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি৷ বিরোধীদের সায়েস্তা করার নিত্য নতুন দাওয়াই বাতলে বেশ কয়েকবার নির্বাচন কমিশনের তোপের মুখেও পড়েছেন৷ তবুও শোধরাননি৷ কমিশনকেও তোয়াক্কা করেননি৷ নিজের জেলায় প্রত্যেক কটি বুথ থেকে লিড দিতে না পারলে অঞ্চল প্রেসিডেন্টদের ডেকে শাসিয়েও ছিলেন, লিড না দিতে পারলে দল থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন৷

তবে এবার আশাতীত ফলা না হওয়ায় ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন বীরভূমের এই দৌর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা৷ সকালে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হারের দায় নিজের ওপর নিয়ে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন৷ এবার সেই তালিকায় নতুন সংযোজন দিদির কেষ্ট৷ বীরভূমের দুটি লোকসভা কেন্দ্র যথা বীরভূম ও বোলপুর নিজেদের দখলে রেখেছে শাসকদল৷ নির্বাচনের আগে বোলপুর থেকে ৪ লক্ষ ও বীরভূম থেকে ৫ লক্ষ ভোটে জেতার চ্যালেঞ্জ দিতে দেখা গিয়েছিল বিতর্কিত এই তৃণমূল নেতাকে৷

তবে নির্বাচনের ফল সামনে আসতেই অন্য চিত্রই ধরা পড়ে৷ দুটি আসনে জিতলেও সেখানে জয়ের ব্যবধান খুবই কম৷ ১১ টি বিধানসভার মধ্যে বেশিরভাগেই কয়েক হাজার ভোটে লিড পেয়েছেন শাসকদলের প্রার্থীরা৷ আবার ৫০ শতাংশের বেশি আসনে পিছিয়ে তৃণমূল৷ নির্বাচনের আগে যেভাবে রীতিমতো গর্জে উঠে প্রত্যেক বুথ থেকে বিশাল অঙ্কে লিড পাওয়ার কথা বলতে শোনা যেত কেষ্টকে, তিনিই জেলায় দলের এই ফলাফলে মর্মাহত৷ যার কথায় বাঘে গোরুতে এক ঘাটে জল খেত তার গলায় এখন নমনীয় সুর৷ কেষ্টর উক্তি, হিন্দু-মুসলিম ভোট হয়েছে, সিপিএমের ভোট ও হিন্দু ভোট বিজেপিতে গিয়েছে, তাই ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here