kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: গোটা রাজ্যের মধ্যে যখন দুই মেদিনীপুর-সহ কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলির মাধ্যমিকের সাফল্যের হার রীতিমতো সাড়া জাগিয়েছে, সেই সময় গোটা রাজ্যের মধ্যে প্রথম হয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার নাম উজ্জ্বল করল মেমারির অরিত্র পাল। অন্য জেলাকে টক্কর দিয়ে সেরার সেরা মুকুট ছিনিয়ে নিল পূর্ব বর্ধমান জেলার ছাত্র অরিত্র। মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দির স্কুলের ইউনিট-১এর ছাত্র অরিত্র ৭০০-র মধ্যে পেয়েছে ৬৯৪। বিষয়ভিত্তিক তার প্রাপ্ত নম্বর অঙ্ক, ইতিহাস এবং ভূগোলে ১০০, বাংলা ও পদার্থবিদ্যায় ৯৮ এবং ইংরেজি ও জীবনবিজ্ঞানে তার প্রাপ্ত নম্বর ৯৯।

অরিত্রের বাবা গণেশচন্দ্র পাল প্রাক্তন সেনাকর্মী। বর্তমানে তিনি পানাগড়ে সেনাবাহিনীর সিভিল আর্মিতে কর্মরত। মা চন্দনা পাল প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা। গোটা রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করার পর অরিত্র জানিয়েছেন, কষ্ট করলে সাফল্য আসবেই।  ভৌতবিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, অঙ্ক এবং ইংরেজিতে তার গৃহশিক্ষক ছিল। পাশাপাশি সে কোচিংও নিত। বাকি বিষয়গুলি ছোটবেলা থেকেই মায়ের কাছেই সে পড়াশোনা করেছে। অরিত্র জানিয়েছেন, তার সব থেকে প্রিয় ছবি আঁকা। খেলাধুলো ভালবাসলেও সময়াভাবে সে খেলতে পারে না। ধরাবাঁধা কোনও নিয়ম না থাকলেও গড়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পড়াশোনা করেছে।

অরিত্র জানিয়েছে, সে আশা করেছিল ৬৮৫ থেকে ৬৯৪-এর মধ্যেই তার প্রাপ্ত নম্বর থাকবে। শুধু তাইই নয়, সে আশা করেছিল রাজ্যের মেধা তালিকায় সে ১ থেকে ১০-এর মধ্যে থাকবেই। স্বাভাবিক ভাবেই সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ায় সে খুশি। ভবিষ্যতে তার প্রিয় বিষয় পদার্থবিদ্যা এবং অঙ্ক নিয়ে সে গবেষণা করতে চায়। গবেষণার সুযোগ না পেলে তার দ্বিতীয় পছন্দ মেডিক্যাল নিয়ে পড়াশোনা করা। অরিত্র জানিয়েছে, সে কখনও স্কুল কামাই করেনি। স্কুল যেতে না পারলে তার ভাল লাগত না। অরিত্র জানিয়েছে, কষ্টের কোনও বিকল্প নেই। কষ্ট করলে যে সাফল্য আসবেই, এটাই তার উপলব্ধি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here